Image description

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী রাশেদ খান দুই প্রার্থীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছেন। এ আসনে বিজয়ী হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্ল প্রতীকের আবু তালিব। পোস্টাল ভোটসহ তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৫ হাজার ৯৯৯।

নির্বাচনের পরদিন শুক্রবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ঝিনাইদহ-৪ আসনের নাগরিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে একটি পোস্ট দেন রাশেদ খান।

পোস্টে তিনি বলেছেন, সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ আমি আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমার জন্য সবকিছু ছিল নতুন। নানামুখী ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও স্বল্পসময়ে আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করেছি। এ সময়ে আপনাদের অফুরন্ত ভালোবাসা পেয়ে আমি মুগ্ধ। যেহেতু বিএনপি ক্ষমতায়, ইনশাআল্লাহ ঝিনাইদহ-৪ আসনের সমস্ত উন্নয়ন বিএনপি সরকারের হাত ধরেই হবে। আপনাদের কাছে দেওয়া সমস্ত ওয়াদা রক্ষা করা হবে, ইনশাল্লাহ। আমি ধন্যবাদ জানাই কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জননেতা হামিদুল ইসলাম হামিদসহ নেতৃবৃন্দকে যারা আমার পাশে থেকে সবসময় আমাকে সাহস জুগিয়েছে।

পরিশেষে, আমি সকলকে সহনশীল ও ধৈর্যশীল থাকার অনুরোধ করছি। সবকিছু মেনে নিয়ে আমাদের নতুনভাবে এগিয়ে যেতে হবে। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের সহায় হন আমিন। রাশেদ কালীগঞ্জে রাজনীতিতে নতুন হওয়ায় খোদ বিএনপির নেতাকর্মীরা অনেকেই মেনে নেননি। দল কয়েক দফায় সাইফুল ইসলাম ফিরোজসহ তার শতাধিক নেতাকর্মীকে বহিষ্কার হয়েছে।

অন্যদিকে, রাশেদ খান বিএনপি নেতা হামিদুল ইসলাম হামিদ ও মুর্শিদা জামানের সমর্থন নিয়ে ভোটের মাঠে লড়তে থাকেন। ফলে বিএনপি ভোটাররা কার্যত প্রকাশ্যে দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন। বিএনপির রাশেদ খান ও স্বতন্ত্র ফিরোজ দুজনে পেয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৩২৮ ভোট। অন্যদিকে বিজয়ী জামায়াতের আবু তালিব পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৯৯৯ ভোট।