জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য, জাতীয় সংসদের সাবেক প্যানেল স্পিকার ও হুইপ আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী বলেছেন, দীর্ঘ সময় ধরে সাতকানিয়া-লোহাগাড়া এলাকা ছিল অবহেলিত। উন্নয়নের নামে এখানে ব্যাপক অর্থ লুটপাট হয়েছে। যেদিকে চোখ যায়, সেদিকেই অবহেলার ক্ষতচিহ্ন স্পষ্ট।
তিনি বলেন, আমি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সার্বিক উন্নয়নের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধশালী, আদর্শিক সাতকানিয়া-লোহাগাড়া গড়ে তুলতে চাই। এ জন্য আপনাদের দোয়া ও দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট প্রত্যাশা করছি। আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হতে পারলে অতীতের ন্যায় আপনাদের সুখে-দুঃখে সাথী হয়ে থাকব।
আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী আরও বলেন, আপনারা আমাকে একটি ভোট দেওয়া মানে আমি আপনাদের গোলাম হয়ে গেলাম। আপনাদের যেকোনও বিপদ-আপদে আমাকে অবশ্যই পাশে পাবেন।
আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সাতকানিয়ার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি একথা বলেন।
এ সময় ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল ও লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন খান,বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ ইসহাক,উপজেলা জামায়াতের সমাজ সেবা বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম,সোনাকানিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, মাদার্শা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাহমুদুল হক পেয়ারু, সোনাকানিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন ও সাতকানিয়া জামায়াতের যুব বিষয়ক সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী।
শাজাহান চৌধুরী আরো বলেন, ৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনের পর আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি। গণভোটে অংশ নিয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে বিজয়ী করতে পারলে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে। তখন আর কেউ দেশে স্বৈরাচার হয়ে উঠতে পারবে না, আয়নাঘর তৈরি করতে পারবে না, মিথ্যা মামলায় ফাঁসিতে ঝুলাতে পারবে না এবং রাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করতে পারবে না।
তিনি উল্লেখ করেন, এই নতুন বাংলাদেশের জন্য এদেশের ছাত্র-জনতা অকাতরে প্রাণ বিলিয়ে দিয়েছে। তাদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করা যাবে না।