Image description
 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ–বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ১৫ বছর হালচাষ করলাম, বীজ দিলাম, ধান লাগালাম। ফসল কাটার সময় যদি মরুভূমি আসে তাহলে কেমন লাগে? আমার হাঁস আমার চাষ করা ধানই খাবে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকালে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

রুমিন ফারহানা বলেন, আপনারা ভোটকেন্দ্র পাহারায় থাকবেন। একটা জাল ভোট যেন দিতে না পারে। আমার একটা হাঁসও যেন কোনো শিয়াল চুরি না করে। গুনে গুনে হাঁস আপনারা খোঁয়াড়ে তুলবেন।

তিনি বলেন, এবার সাধারণ মানুষের প্রতীক, জনতার প্রতীক হলো হাঁস। এটা কোনো দলের প্রতীক নয়, কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর প্রতীকও নয়। হাঁস মার্কা উন্নয়নের মার্কা, গণতন্ত্রের মার্কা, সাহসের মার্কা, সততার মার্কা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর মার্কা।

রুমিন ফারহানা বলেন, এটা সংসদের ৩০০ এমপির বিরুদ্ধে একা লড়াই করার মার্কা। এটা কোনো নেতার মার্কা না, কোনো হাই কমান্ডের মার্কা না—এটা সাধারণ মানুষের মার্কা।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা ১২ তারিখ সারা দিন-রাত ভোট গণনা শেষ হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র পাহারায় থাকবেন। আপনারাই আমার ভোটের হেফাজতকারী। একটা দিন আমার জন্য কষ্ট করেন। আগামী পাঁচ বছর এই দুই উপজেলাকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলব।

পথসভায় গ্যাস সংকটের বিষয় তুলে ধরে রুমিন ফারহানা বলেন, আমার মা-বোনেরা আমাকে গ্যাসের কথা বলেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাজার নেতা এসেছেন, হাজার নেতা গেছেন। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস আগে পাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ— তারপর যাবে দেশের অন্য এলাকায়।

তিনি বলেন, হাইকমান্ডের ডানহাত-বামহাত, কানি আঙুল কিংবা বুড়া আঙুল—কোনো নেতাকেই এ কথা বলতে শুনিনি। এলাকার মানুষের যে দাবি, আমারও সেই একই দাবি।