আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠক করছে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় পরিষদ। শনিবার সকাল নয়টা থেকে রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই বৈঠক শুরু হয়। এটি রাত পর্যন্ত চলবে।
এতে বিশেষজ্ঞ টিমের প্রস্তুত করা রাষ্ট্র পরিচালনার পলিসি পেপার উপস্থাপন, নির্বাচনি প্রচারে কেন্দ্রীয় নেতাদের শিডিউল চূড়ান্তসহ অনেকগুলো বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুবু জুবায়ের।
বৈঠকের বিরতিতে বিকেল চারটার দিকে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে নায়েবে আমির, সেক্রেটারি জেনারেল সহ পরিষদ সদস্যরা উপস্থিত আছেন। এতে মহিলা বিভাগের দায়িত্বশীলরা এবং বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি অংশ নিয়েছেন।
বৈঠকের আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে তিনি বলেন, ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনের প্রচার কাজ শুরু হবে, সেটার শিডিউল করা হচ্ছে। কে কোন জেলায় কখন যাবেন তা চূড়ান্ত করা হবে। দলের নির্বাচনি ইশতেহার চূড়ান্ত করা হবে। পরে তা সুবিধাজনক সময়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জাতির উদ্দেশে উপস্থাপন করা হবে।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য পলিসি পেপার লাগে। সেই পলিসি পেপারের প্রস্তাবনা বৈঠকে পেশ করা হচ্ছে, তা চূড়ান্ত হবে। এগুলো পরে ওয়েবসাইটেও দেওয়া হবে। এছাড়া বৈঠকে জাতীয় নির্বাচন, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃংখলা পরিস্থিতি, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, যেহেতু নির্বাচনি প্রচার কাজ শুরু হবে ২২ তারিখে, নেতারা দেশের বিভিন্ন স্থানে চলে যাবেন, সময় খুব কম-এজন্য এক বৈঠকে অনেক এজেন্ডা আনা হয়েছে। সব এজেন্ডা আজ ফাইনাল করা হবে।
১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যে চরমোনাই পীরের দলের আসার সম্ভাবনা বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অ্যাডভোকেট জুবায়ের আরো জানান, দেখা যাক কি হয়? আমাদের দরজা সব সময় খোলা।
তিনি বলেন, খালি থাকা ৪৭টি আসন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে লিয়াজোঁ কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা বসে সিদ্ধান্ত নিলে জানানো হবে।