Image description
 

কুমিল্লা-৩ মুরাদনগর সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী দলের ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ এখন খোশমেজাজে। আসনটিতে তিনি হেভিওয়েট প্রার্থী। আগামী নির্বাচনে তাকে চ্যালেঞ্জ করার মতো দৃশ্যমান শক্তিশালী কোনো প্রার্থী দেখা যাচ্ছে না। এতে মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই তিনি এবং তার কর্মী-সমর্থকরা ফুরফুরে মেজাজে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

এদিকে আসনটিতে জামায়াতের প্রার্থী ইউসুফ হাকিম সোহেল গত কয়েক মাস যাবত গণসংযোগ করছেন। এতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটিতে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে ভোটের লড়াই অনুষ্ঠিত হতে পারে। 

সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, কুমিল্লার মুরাদনগর সংসদীয় আসনটি বিএনপির ভোটব্যাংক হিসেবে পরিচিত। দলের ভোটব্যাংকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে জনপ্রিয় এবং হেভিওয়েট প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদকে। 

এর আগে তিনি বিএনপির মনোনয়নে ২০০১ এবং ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হেভিওয়েট কায়কোবাদকে টেক্কা দেওয়ার মতো দৃশ্যমান শক্তিশালী কোনো প্রার্থী দেখা যাচ্ছে না। এতে মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকে খোশমেজাজে কায়কোবাদসহ বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা। 

এদিকে আসনটিতে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন তরুণ প্রজন্মের ইউসুফ হাকিম সোহেল। তিনি সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান। তরুণ এই প্রার্থীকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছে জামায়াত। গত কয়েক মাস যাবত দলটির কর্মী-সমর্থকরা ব্যাপক গণসংযোগ করছেন। 

জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ইউসুফ হাকিম সোহেল বলেন, আমরা জনগণের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাচ্ছি। ভালো একটি ফলাফলের জন্যই আমাদের চেষ্টা চলছে। জনসাধারণ যদি আমাদের বেছে নেয় তাহলে কোনো শক্তিই আমাদের বিজয় আটকে রাখতে পারবে না। মহান আল্লাহ তা'আলা উত্তম ফয়সালাকারী।

মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন অঞ্জন বলেন, মুরাদনগর হচ্ছে বিএনপির ঘাঁটি। কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ অত্যন্ত জনপ্রিয় নেতা। এছাড়া সাংগঠনিকভাবে আমরা খুবই শক্তিশালী এবং সুদৃঢ়। আগামী নির্বাচনে আমাদের দলীয় প্রার্থী বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করবেন। আমাদের দলের প্রতিটি নেতাকর্মী এখন জনগণের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। আগামী নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আমরা শতভাগ আশাবাদী।