
আলফাজ আনাম
জাতীয় পাটি যে ভারতের মদদপুষ্ট একটি রাজনৈতিক দল এতে কানো কোনো সন্দেহ নাই। নুরুল হক নুরের ওপর হামলার পর আজও কাকরাইলে জাতীয় পার্টির নেতা কর্মীরা সমবেত হয়েছে। শ্লোগান দিয়েছে। এরমধ্য দিয়ে ফ্যাসিস্টের সহযোগী হিসাবে যারা জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে দাড়াচ্ছেন তাদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে দলটি। এ থেকে প্রমান হচ্ছে সরকারের ভেতর- বাইরের নানা পক্ষের সমর্থন নিয়ে দলটি তৎপর হয়েছে। এমনকি দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলের সমর্থনও জাতীয় পার্টির প্রতি থাকতে পারে।
আরেকটি বিষয় হলো গতকাল রাতে জাতীয় পার্টির নেতা কর্মীরা সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়েছিলো। সাংবাদিকরা বেশ কিছুক্ষন জিএম কাদেরের গাড়ি অবরুদ্ধ করে রেখেছিলো। কিন্তু সাংবাদিকদের ওপর হামলা নিয়ে কেউ কোনো প্রতিবাদ পর্যন্ত করেনি। এমনকি গতকালকের ঘটনার খবর মিডিয়া সম্পুর্ন উল্টো ভাবে প্রকাশ করেছে। লাইভ সম্প্রচার ও মোজো রিপোর্টার না থাকলে হয়তো আজকে তথাকথিত মুলধারার মিডিয়া খবরটি নুরুর দলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ বলে চালিয়ে দিতো।
জাতীয় পার্টি শুধু ভারতের দুতাবাসের পরিকল্পনা মাফিক চলেনা , এ দেশের লুটেরা ও বনেদি দাবিদার এলিট ক্লাসের সাথে এই দলের নেতাদের গভীর যোগাযোগ আছে। খুব সম্ভবত সামরিক-বেসামরিক আমলাতন্ত্র, এলিট রাজনীতিক ও ভারতীয় দূতাবাসের মধ্যস্থতায় জাতীয় পার্টিকে বিরোধী দলের আসনে বসানোর ব্যাপারে ঐকমত্য হয়েছে। এ কারনে এত বড় ঘটনার পরও আজকে জাতীয় পার্টি শক্তি দেখাচ্ছে। সামনে নুরুর মতো আরো অনেককে এমন পরিনতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।