Image description

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাকে থানা থেকে ছাড়াতে সুপারিশ করার অভিযোগ উঠেছে জৈনসার ইউনিয়ন বিএনপির নেতা দেলোয়ার হোসেন গোরাপির বিরুদ্ধে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি দাবি করেছেন, ব্যক্তিগত কাজে থানায় গিয়েছিলেন, কারও জন্য সুপারিশ করতে নয়।

গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ নেতার নাম আবুল হোসেন। তিনি জৈনসার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের খিলগাঁও এলাকা থেকে সিরাজদিখান থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে তাকে ছাড়ানোর জন্য দেলোয়ার হোসেন গোরাপি সিরাজদিখান থানায় গিয়ে সুপারিশ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, জৈনসার ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম দুদুর সঙ্গে দেলোয়ার হোসেন গোরাপির বেয়াই সম্পর্ক রয়েছে। আবুল হোসেনও রফিকুল ইসলাম দুদুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। এই সম্পর্কের কারণেই আবুল হোসেনকে ছাড়াতে দেলোয়ার থানায় গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

 

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে দেলোয়ার হোসেন গোরাপি বলেছেন, আমি সকালে ব্যক্তিগত কাজে থানায় গিয়েছিলাম। কারও জন্য সুপারিশ করতে যাইনি।

জৈনসার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল শেখ বলেছেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।