রীয়তপুর জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক আশিক মাদবরকে (জিয়া) তথ্য গোপনের অভিযোগে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটিসহ বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের তথ্য গোপনের অভিযোগ ওঠার পর এ সিদ্ধান্ত নেয় সংগঠনটি। শুক্রবার রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শরীয়তপুর জেলা যুবদলের সভাপতি জামাল উদ্দিন বিদ্যুৎ।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের সিদ্ধান্তক্রমে আশিক মাদবরকে পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির পক্ষে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্বে) মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য গোপনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।
এর আগে গত ৮ অক্টোবর আশিক মাদবরকে শরীয়তপুর জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। তিনি এর আগে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর ও যোগাযোগ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া সংগঠনটির শরীয়তপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন তিনি।
আশিক মাদবরকে জেলা যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়ার পর স্থানীয় নেতাকর্মীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দেয়। তাদের অভিযোগ, বিএনপির দুঃসময়ে দলের সঙ্গে থাকা ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করে ভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করা একজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর তার রাজনৈতিক অতীত ও দলীয় পদ পাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়।
এ বিষয়ে শরীয়তপুর জেলা যুবদলের সভাপতি জামাল উদ্দিন বিদ্যুৎ বলেন, আশিক মাদবর অন্য কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন—এমন তথ্য তাদের জানা ছিল না। বিষয়টি জানার পরই তারা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে অবহিত করেন। পরে তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।