বগুড়ার শেরপুরে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও চাঁদাদাবির অভিযোগে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক ছাত্রদল নেতা। গতকাল শনিবার মামলাটি করেন উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আবদুল্লাহ আল রাফাত। এতে প্রধান আসামি করা হয়েছে পৌর যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম সম্রাটকে।
এজাহারে যুবদলের আরও ১২ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৫০ থেকে ৬০ জন অজ্ঞাতপরিচয়ের ব্যক্তিও আসামির তালিকায় রয়েছেন। বাদী ছাত্রদল নেতা রাফাত শেরপুরের সায়েম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস এবং সায়েম ট্রেডার্সের পরিচালক। তিনি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী প্রবাসী আবদুল মান্নানের ছেলে।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর পৌরসভার সান্যালপাড়া হাটখোলা সড়ক এলাকায় ওই দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়ে আসছে। ৮ সেপ্টেম্বর যুবদল নেতা সম্রাট গিয়ে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার রেজাউল করিম মণ্ডল সুরুজের কাছে মালিকের মাধ্যমে পাঁচ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, এর দুদিন পর ১০ সেপ্টেম্বর বিকেলে সম্রাটের নেতৃত্ব ৫০ থেকে ৬০ জন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে ফের পাঁচ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে। তাতে রাজি না হলে ভাঙচুর ও কর্মচারীদের মারধর করা হয়। অফিসে থাকা ব্যাগ থেকে এক লাখ ১০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়।
মামলার বাদী আবদুল্লাহ আল রাফাত বলেন, তারা একই রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত। এরপরও তাদের পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও চাঁদাদাবির ঘটনায় তারা আতঙ্কিত।
অভিযোগ অস্বীকার করে যুবদল নেতা তরিকুল ইসলাম সম্রাট বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি শহরের গোসাইবাড়ী বটতলা এলাকায় ছিলাম। এছাড়া সেখানে চাঁদা দাবি, হামলা বা ভাঙচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। জমিজমার বিরোধকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে।’ শেরপুর থানার ওসি এস এম মঈনুদ্দিন বলেন, থানায় মামলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।