Image description

ঢাকা মহানগরীতে বিএনপির রাজনীতির অন্যতম স্তম্ভ মির্জা আব্বাস। ১৯৮২-১৯৯০ স্বৈরশাসন বিরোধী আন্দোলন, ১৯৯৬-২০০১ শেখ হাসিনার দুঃশাসন বিরোধী আন্দোলন এবং বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসন বিরোধী আন্দোলনে মির্জা আব্বাসের ভূমিকা ছিল অনবদ্য। অবিভক্ত ঢাকার মেয়র, মন্ত্রী, এমপি সব পদেই ছিলেন মির্জা আব্বাস। কোন জায়গাতেই তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতির অভিযোগ ধোপে টেকেনি কখনো।

কিন্তু গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় থেকেই মির্জা আব্বাসকে টার্গেট করে চলছে একের পর এক মিথ্যা প্রচারণা। মূল টার্গেট বিএনপি, মির্জা আব্বাসকে পরাস্ত করা গেলেই যেন থেমে যাবে বিএনপির অগ্রযাত্রা। চিহ্নিত কিছু রাজনীতিবিদ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় একটি চক্র বার বার চাঁদাবাজ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছে তাকে। কোথাও নেই কোন প্রমাণ, অভিযোগ, তদন্ত কিংবা বিচার। তারপরও চলছে লাগাতার প্রচার-প্রচারণা।

দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাসের চিকিৎসা শেষে গত বুধবার রাতে ঢাকায় ফিরেছেন মির্জা আব্বাস। বৃহস্পতিবার হুইল চেয়ারে করে যোগ দিয়েছেন সংসদ অধিবেশনে। মির্জা আব্বাসের কান্নাভেজা বক্তব্যে মুহূর্তেই থমকে গেছে জাতীয় সংসদ। কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফেসবুক পেজে আরটিভির ভুয়া ফটোকার্ড পোস্ট করে লেখা হয়েছে দেশে ফেরার প্রথম দিনেই ৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা চাঁদা তুলেছেন মির্জা আব্বাস! মিথ্যাচারেরও একটা সীমা থাকা দরকার।

সুইডেন প্রবাসী শফিক খান নামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফেসবুক পেজের একজন মডারেটর করেছেন সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এই পোস্টটি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিল জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ছাত্র শিবিরসহ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সকল ছাত্র সংগঠন। কিন্তু এখন তাদের ফেসবুক পেজটি চালাচ্ছে কারা?

একজন মডারেটর তো ফেসবুক পেজের একজন সংগঠক। আরটিভির ফেসবুক পেজ কিংবা ইউটিউব চ্যানেলে নেই এ সংক্রান্ত কোনো সংবাদ। তা সত্ত্বেও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে পোস্ট করা হয়েছে এমন ভুয়া ফটোকার্ড?
এটা নতুন নয়, একের পর এক মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করা হচ্ছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফেসবুক পেজে। কার্যত ডাস্টবিনে পরিণত করা হচ্ছে সার্বজনীন এই ফেসবুক পেজটিকে?