সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনিকে হত্যা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা পৃথক পাঁচটি মামলায় কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
এ বিষয়ে শুনানি শেষে সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি খায়রুল আলম ও বিচারপতি রাফিজুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আদালতে দীপু মনির পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রমজান আলী শিকদার ও আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন মাসুদুল আলম দোহা।
গাজী ফয়সাল ইসলাম জানান, আদাবর, বাড্ডা, গাজীপুরের গাছা এবং শাহবাগ থানার দুটিসহ মোট পাঁচটি মামলা করা হয়েছে। এছাড়া আগে করা ১৬ মামলায় জারি করা রুলও শুনানির জন্য ধার্য করা হয়েছে।
আইনজীবী রমজান আলী শিকদার জানান, এখন পর্যন্ত ডা. দীপু মনির বিরুদ্ধে ৩৮টি মামলার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে দুটি মামলা রয়েছে মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বারিধারা থেকে দীপু মনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে হত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি ও সহিংসতার নির্দেশনাসহ ৩৮টিরও বেশি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
দীপু মনি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও সমাজকল্যাণমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।