Image description
সংকট মোকাবিলায় দক্ষ, বিশ্বস্ত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে নির্বাচিত করার প্রত্যাশা বিএনপিতে

দলের প্রতি বিশ্বস্ত ও রাজনৈতিক বা সাংবিধানিক যেকোনো সংকট মোকাবেলায় সক্ষম সর্বজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকেই দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখতে চান ক্ষমতাসীন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। একই সঙ্গে তাঁরা বলছেন, নীতিনৈতিকতাসম্পন্ন ও অভিজ্ঞতারও বিকল্প নেই। কোনো অবস্থাতেই আর অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের মতো অরাজনৈতিক এবং জাতীয় সংকট মোকাবেলায় ব্যর্থ কোনো ব্যক্তিকে দেশের এই সর্বোচ্চ সম্মানিত পদে দেখতে চান না তাঁরা। বিএনপির কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত বেশ কিছু নেতা-কর্মীর সঙ্গে আলাপকালে ‘কেমন রাষ্ট্রপতি চান’- প্রশ্নের জবাবে এমন মতামত ব্যক্ত করেন তাঁরা।

তাঁদের মতে, অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেওয়াটা ছিল বিএনপির সবচেয়ে বড় ভুলের মধ্যে একটি। যার চরম মাশুল দলীয় চেয়ারপারসন, তাঁর পরিবারসহ বিএনপির লাখ-কোটি নেতা-কর্মী তথা সমগ্র দেশকেই দেড় যুগ ধরে গুনতে হয়েছে। নেতাদের মতে, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যেকোনো সংকটময় মুহূর্তে দেশ-জাতির স্বার্থ ও সংবিধান রক্ষায় তাঁরা অবিচল থাকেন। কারণ দেশের প্রতি তাঁরা কমিটেড। পক্ষান্তরে যত বড় মেধাবীই হোন না কেন দুর্বলচিত্তের কোনো পেশাজীবী ব্যক্তির পক্ষেই সেই চরম সংকট মোকাবেলা সম্ভব হয় না। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এবং তৃণমূল পর্যন্ত দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা চাচ্ছেন দল থেকে একজন বিশ্বস্ত, সৎ, গ্রহণযোগ্য, দক্ষ ও অভিজ্ঞ- সর্বোপরি যেকোনো ধরনের সংকট দৃঢ় হাতে মোকাবেলায় সক্ষম হবেন এমন একজন ব্যক্তিকেই জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা হোক। বিশেষ করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে শতভাগ উদ্বুদ্ধ ব্যক্তিকেই করা হোক বাংলাদেশের পরবর্তী নতুন রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। বর্তমান সংবিধান সংশোধিত না হওয়ায় বিদ্যমান পদ্ধতিতেই জাতীয় সংসদের ৩৫০ জন সদস্যের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপি যাঁকে মনোনয়ন দেবে, তিনিই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

এ বিষয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন, বিএনপিদলীয় নাকি বাইরের কেউ, তা দলের নীতিনির্ধারণী ফোরামের বৈঠকে নির্ধারণ হবে। সংবিধান ও প্রয়োজনীয় আইন মেনে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এদিকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। বিভিন্ন নাম আলোচনায় এলেও বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলছে দলীয় নেতৃত্ব থেকেই রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন দেওয়ার পক্ষে অবস্থান তাঁদের। তবে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনার পর দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করবেন।

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এ প্রসঙ্গে বলেন, সংবিধান অনুযায়ী যা হওয়ার তা-ই হবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয় জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে। ন্যাচারালি বিএনপি যাঁকে নমিনেট করবে তিনিই রাষ্ট্রপতি হবেন। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘সরকারি দল বিএনপির পক্ষ থেকে যাঁকে মনোনয়ন দেওয়া হবে তিনিই হবেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি। আমরা বিশ্বাস করি আমাদের দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের সঙ্গে আলোচনা করে দলের চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ ব্যাপারে সঠিক সিদ্ধান্তটিই নেবেন।’

বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, নীতিনৈতিকতাসম্পন্ন ও অভিজ্ঞতারও বিকল্প নেই। কোনো অবস্থাতেই আর প্রফেসর ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের মতো অরাজনৈতিক এবং ক্রাইসিস মোকাবেলায় ব্যর্থ কোনো ব্যক্তিকে দেশের এই সর্বোচ্চ সম্মানিত পদে দেখতে চান না বিএনপির কোনো নেতা-কর্মী। দলীয় চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ ব্যাপারে সঠিক সিদ্ধান্তটিই নেবেন। এদিকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামটিই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খানের নামও বিভিন্ন মহলে আলোচিত হচ্ছে। আবার কেউ কেউ চাচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবীক্রমকেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করে স্থায়ীভাবে রেখে দেওয়া হোক। এর বাইরে আরও যুক্ত হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী, জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নামও গণমাধ্যমে আসছে।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকেই কাউকে বেছে নেওয়ার পক্ষে মত দেন দলীয় চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তিনি বলেন, দলের মধ্যে বিশ্বস্ত, দলের প্রতি আনুগত্য এবং পরীক্ষিত, শহীদ জিয়া এবং বেগম খালেদা জিয়ার অনুসারী, এরকম যাঁরা আছেন তাঁদের মধ্য থেকেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া উচিত। কারণ রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্য থেকে হলে রাজনীতিবিদের পক্ষ কিংবা প্রতিপক্ষ উভয় দিকেই সম্মানবোধ করার একটা নৈতিকতা জন্ম নেয় ভিতরে। আর প্রফেশনাল যাঁরা, তাঁরা কিন্তু একটা নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে চলাফেরা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় অরাজনৈতিক কাউকে রাষ্ট্রপতি করার সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া না গেলেও বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বক্তব্যে দলীয় নেতাকেই রাষ্ট্রপতি করার প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। শেষ পর্যন্ত কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সে সিদ্ধান্ত আসবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন দলের সর্বোচ্চ ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক থেকেই।

শুক্রবার বিকাল ৫টায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর এখন সবার দৃষ্টি পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, সেদিকে। সরকার গঠনের পর থেকেই এ পদে বিএনপির সিনিয়র কয়েকজন নেতার নাম আলোচনায় থাকলেও গত দুই দিনে সম্ভাব্যদের তালিকায় নতুন করে আরও কয়েকটি নাম যুক্ত হয়েছে।

সরকার ও বিএনপির নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এমন একটি সূত্র জানিয়েছে, বাইরে থেকে নয়, বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদ জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য থেকেই দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত দলীয় ফোরামে আলোচনা হয়নি। তবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ে প্রস্তুতি চলছে অত্যন্ত সন্তর্পণে।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার ভাষ্য, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে এখনো সময় রয়েছে। রাজনীতির বাস্তবতায় পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যেতে পারে। ফলে আজ যাঁরা আলোচনায় এগিয়ে আছেন, সময়ের ব্যবধানে তাঁদের অবস্থান পরিবর্তিতও হতে পারে। এ ক্ষেত্রে নতুন কোনো চমকও সামনে চলে আসতে পারে। যাঁর নাম হয়তো এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো আলোচনাতেই আসেনি।

জাতীয় সংসদের মংমনসিংহ-১০ আসনের বিএনপিদলীয় এমপি আক্তারুজ্জামান বাচ্চু বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বিভিন্ন মহলে নানাজনের নাম আলোচনায় থাকলেও, বিএনপি দলীয় নেতৃত্ব থেকেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে চায়। রাষ্ট্রপতি হিসেবে এমন একজনকে বেছে নেওয়া উচিত, যিনি গ্রহণযোগ্য, নৈতিকতাসম্পন্ন, অভিজ্ঞ এবং দলের প্রতি বিশ্বস্ত।

নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত বিএনপির দলের উচ্চপর্যায় থেকেই নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বস্ত, দল ও দেশের জন্য নিবেদিতপ্রাণ এমন একজনকেই রাষ্ট্রপতি হিসেব বেছে নিতে হবে। তিনি দেশ ও জনগণের কল্যাণের কাজ করবেন। জানা গেছে, বিএনপির ভিতরে রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পক্ষে জোর মত রয়েছে। তবু ভূরাজনৈতিক এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক সমীকরণের কারণে দলীয় বলয়ের বাইরে থাকা কোনো গ্রহণযোগ্য অরাজনৈতিক ব্যক্তির নামও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে শেষ পর্যন্ত পরবর্তী রাষ্ট্রপতি পদে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত আসবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটি থেকেই। সেই সিদ্ধান্তের দিকেই এখন তাকিয়ে আছে পুরো রাজনৈতিক অঙ্গন।

কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির নেতা খালেদ সাইফুল্লাহ খান সোহেল (ভিপি সোহেল) বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘দেশ ও জাতির প্রয়োজনে যেকোনো সংকটে শক্ত হাতে হাল ধরে সমাধান করতে পারবেন, এমন বিশ্বস্ত ও সৎ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিকেই রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখতে চাই।’

কথা হয় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আদাবর থানার সদস্যসচিব আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো অরাজনৈতিক, আদর্শহীন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে দেখতে চাই না। প্রফেসর ইয়াজউদ্দিনের মতো “মাজাভাঙা” ব্যক্তিকেও আর চাই না।’

জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশ গঠনে কাজ করতে পারবেন এমন রাষ্ট্রপতি চাই। দেশটাকে পুনর্গঠনে কাজ করতে পারবেন এমন রাষ্ট্রপতি চাই।’ স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিন বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়নকে সহযোগিতা করে এগিয়ে নিয়ে যাবেন ভবিষ্যতে এমন রাষ্ট্রপতি চাই।’ ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন বলেন, ‘দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় যিনি দৃঢ় প্রজ্ঞাবান, দূরদর্শী ও বিচক্ষণ ব্যক্তিই ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিবেচিত হবেন, এমনটাই প্রত্যাশা করি।’ বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহীন বলেন, রাষ্ট্রপতি হবেন সবার ঊর্ধ্বে একজন ব্যক্তি। তাই তাঁকে রাষ্ট্রের স্বাধীনতা, ভূখণ্ড রক্ষাসহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতা করবেন, এমন একজন ব্যক্তিকেই রাষ্ট্রপতি করা উচিত। রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামছুজ্জামান সামু বলেন, বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সংসদের ওপর নির্ভর করছে। এ বিষয়ে এর চেয়ে বেশি মন্তব্য এখন করা যাবে না।

সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক বলেন, বাংলাদেশের জন্য এমন একজন রাষ্ট্রপতি প্রয়োজন, যিনি হবেন সংবিধানের প্রকৃত অভিভাবক ও রক্ষক। যেহেতু এ মুহূর্তে বিএনপি ক্ষমতায়, সে পরিপ্রেক্ষিতে দলটির নীতি আদর্শে বিশ্বাসী, প্রাজ্ঞ, পরীক্ষিত একজন রাজনীতিবিদ রাষ্ট্রপতি হওয়া অপ্রত্যাশিত নয়। দলীয় পরিচয় থাকলেও শপথ নেওয়ার পর তিনি হবেন সম্পূর্ণ নির্দলীয়, নিরপেক্ষ। দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে দলীয় সংকীর্ণতার বাইরে গিয়ে পুরো রাষ্ট্রের এবং সব নাগরিকের অভিভাবক হিসেবে ভূমিকা পালন করবেন তিনি। (প্রতিবেদন তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন বিভিন্ন জেলার নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিরা)।