বাবুগঞ্জের দেহেরগতি ইউনিয়নে সামাজিক বনায়নের ৩২টি মেহগনি গাছ কেটে গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে রনি মোল্লা নামে এক আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১০ লাখ টাকা। ২৫ জুন রাকুদিয়া মোল্লা বাড়ির সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, ১৯৯৮ সালে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রশিকার সমন্বয়কারী আব্দুর রহিমের তত্ত্বাবধানে রাকুদিয়া ডাকঘর থেকে মোল্লাবাড়ি ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সামাজিক বনায়নের অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ করা হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, গাছের মালিকানার ৭০ শতাংশ জীবনতরী মহিলা সমিতির সদস্যদের, ১৫ শতাংশ ইউনিয়ন পরিষদের। অবশষ্টি ১৫ শতাংশ প্রশিকার।
সুবিধাভোগীরা জানান, প্রায় ২৮ বছর ধরে নিজেদের অর্থ ব্যয় করে তারা গাছগুলোর পরিচর্যা করেছেন। ইউনিয়ন পরিষদ এবং আমাদের না জানিয়ে রনি মোল্লা ক্ষমতার দাপটে গাছগুলি কেটে বিক্রি করেছে।
রনি মোল্লা বলেন, সুবিধাভোগীদের অনুমতি নিয়েই গাছ কাটা ও বিক্রি করা হয়েছে। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, কেউ আমার কাছে গাছ কাটার অনুমতি নেয়নি। আমি কাউকে গাছ কাটার অনুমতি দেয়নি। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।