Image description
শারমিন হক
 
এই লেখাটি সম্পূর্ণই আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে লেখা। কারও প্রতি বিদ্বেষ বা প্রশংসা অর্জনের উদ্দেশ্যে নয়; একজন উপস্থিত অংশগ্রহণকারী হিসেবে যা দেখেছি, শুনেছি ও অনুভব করেছি, সেটুকুই তুলে ধরেছি।
মালয়েশিয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে এক সন্ধ্যা - আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা (পর্ব - ১)
মালয়েশিয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে স্টুডেন্ট কোটায় সরাসরি দেখা এবং তাঁর বক্তব্য শোনার সৌভাগ্য হয়েছিল। প্রথমে ভেবেছিলাম এ বিষয়ে কিছু লিখব কি? লিখব না এ নিয়ে একটু দোটানায় ছিলাম। পরে আবার মনে হলো, একজন সাধারণ অংশগ্রহণকারী হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতার কিছু কথা লিখে রাখাই যায়। কারণ কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষণ নয়, বরং একজন উপস্থিত দর্শক হিসেবে যা দেখেছি, শুনেছি এবং অনুভব করেছি - সেটাই এখানে তুলে ধরছি।
১। ভেন্যুতে প্রবেশের শুরুতেই কিছুটা বিড়ম্বনা
প্রথমেই একটি ছোট্ট ঝামেলার মুখোমুখি হতে হয়। আমার এক্সেস কার্ডটি যার কাছে ছিল, তিনি ভেন্যুতে পৌঁছাতে কিছুটা দেরি করায় আমিও সময়মতো প্রবেশ করতে পারছিলাম না। চারপাশে সবাই ভেতরে ঢুকছে, ছবি তুলছে, আর আমাকে বারবার জিজ্ঞাসা করা হচ্ছিল, "আপনার কার্ড কোথায়? হলরুমে প্রবেশ করুন।"
আমি তখন কিছুটা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম। অবশেষে কার্ড হাতে পেয়ে তাড়াহুড়ো করে হলে প্রবেশ করি। কারণ রাত ৯টার মধ্যে প্রবেশ করতে না পারলে আর ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হবে না। এত তাড়াহুড়োর মধ্যে কার্ডে কী লেখা আছে, সেটি দেখারও সুযোগ হয়নি।
২। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রথম ধারণা
এন্ট্রি গেটে পৌঁছানোর পর নিরাপত্তার স্বার্থে আমার মোবাইল ফোন এবং ব্যাগ জমা রাখতে বলা হলো। নিয়ম যেহেতু সবার জন্য, তাই কোনো আপত্তি করিনি। মোবাইল ও ব্যাগ জমা দিয়েই ভেতরে প্রবেশ করলাম।
মনে মনে ভাবলাম, নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেশ কঠোর এবং প্রশংসনীয়। একজন প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে এমন নিরাপত্তা থাকাটাই স্বাভাবিক।
হলে প্রবেশ করার পর আমাকে নির্দিষ্ট একটি জায়গা দেখিয়ে দেওয়া হলো। সেখানে গিয়ে বসে মঞ্চের দিকে তাকালাম। তখন একটি বিষয় আমার নজরে এলো - মঞ্চে কোনো চেয়ার নেই। সঙ্গে সঙ্গে মনে প্রশ্ন জাগল, প্রধানমন্ত্রী বসবেন কোথায়? নাকি তিনি দাঁড়িয়েই পুরো বক্তব্য দেবেন? আবার মনে হলো, হয়তো সময় খুব কম, তাই দাঁড়িয়েই কথা বলবেন। পরে অবশ্য বুঝতে পারি, তাঁর আগমনের ঠিক আগে মঞ্চে দু'টি চেয়ার আনা হল#।
৩। হলরুম ও আসনবিন্যাস
ব্যক্তিগতভাবে হলরুমটি আমার খুব একটা ভালো লাগেনি। প্রধানমন্ত্রী এবং দর্শকদের মধ্যে দূরত্বও যথেষ্ট ছিল। আমি যেহেতু চশমা ব্যবহার করি, তাই খুব বেশি সমস্যা হয়নি, তবে আসনবিন্যাস আমার কাছে কিছুটা এলোমেলো মনে হয়েছে।
ঠিক তখনই পেছন থেকে কেউ একজন জিজ্ঞাসা করলেন, "কারও কাছে মোবাইল আছে?"
কৌতূহলবশত পেছনে তাকিয়ে দেখি, কয়েকজনের কাছে শুধু মোবাইলই নয়, ব্যাগও রয়েছে। তখন স্বাভাবিকভাবেই মনে প্রশ্ন জাগল - যদি নিয়ম অনুযায়ী মোবাইল ও ব্যাগ জমা দিতে হয়, তাহলে সবার ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য হলো না কেন?
অবশ্য, অল্প কয়েকজনের কাছে মোবাইল ও ব্যাগ ছিল। বিষয়টি দেখে আমার মনে হলো, নিরাপত্তা ব্যবস্থাটি যতটা কঠোর বলে প্রথমে মনে হয়েছিল, বাস্তবে ততটা সমন্বিত ছিল না।
৪। নিজের মনে প্রস্তুত করা দুটি প্রশ্ন
হলে বসে বসেই আমি নিজের মনে মনে দুটি প্রশ্ন তৈরি করছিলাম। ভেবেছিলাম, যদি সুযোগ পাই, তাহলে সরাসরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন দুটি করব।
সেই অপেক্ষায়ই ছিলাম।
 
পর্ব - ২
কিছুক্ষণ পর ঘোষণা এলো যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এবং তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান হলরুমে প্রবেশ করবেন। তখনই মঞ্চে দুটি চেয়ার, একটি ছোট টি-টেবিল এবং তার ওপর একটি ছোট ফুলের তোড়া রাখা হলো। তখন বুঝতে পারলাম, আগেই যে বিষয়টি নিয়ে মনে প্রশ্ন জেগেছিল, সেটির উত্তর এভাবেই মিলল।
অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁরা হলে প্রবেশ করলেন। প্রধানমন্ত্রী সবাইকে সালাম জানিয়ে অত্যন্ত স্বাভাবিক ও আন্তরিকভাবে নিজের আসনে বসলেন। শুরু থেকেই তাঁর মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক জড়তা নয়, বরং সহজ-সরল ও মার্জিত একটি ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠছিল।
১। বক্তব্যের শুরুতেই পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ প্রসঙ্গ
বক্তব্যের শুরুতেই তিনি একটি বিষয় উল্লেখ করেন - তিনি বলেন, মালয়েশিয়া আমাদের দেশের তুলনায় অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন। এরপর প্রশ্ন রাখেন - আমরা আমাদের দেশকে কেন এভাবে পরিচ্ছন্ন রাখতে পারি না?
তিনি বলেন, সরকার একা সবকিছু করতে পারে না। আমরা যদি প্রত্যেকে নিজে নিজের অবস্থান থেকে সচেতন হই এবং দায়িত্বশীল আচরণ করি, তাহলে আমাদের দেশও আরও পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব।
এই কথাটি আমার কাছে বাস্তবসম্মত এবং ইতিবাচক মনে হয়েছে।
২। শিক্ষা নিয়ে তাঁর গুরুত্ব
তাঁর পুরো বক্তব্য শুনে আমার কাছে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে, তা হলো - তিনি শিক্ষার বিষয়টি নিয়ে আন্তরিকভাবে ভাবেন। শিক্ষাকে তিনি দেশের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে দেখেন। বিষয়টি আমার ভালো লেগেছে।
৩। যেসব বিষয় নিয়ে তিনি কথা বলেছেন
প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ মিনিট একটানা তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলেন। এর মধ্যে ছিল -
- শিক্ষা
- তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতের উন্নয়ন
- বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি
- ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব
- খাল পুনঃখনন
- দক্ষ ও যোগ্য জনশক্তি তৈরি করে বিদেশে পাঠানো
- ফ্যামিলি কার্ড
- কৃষক কার্ড
- মালয়েশিয়ায় আটক প্রায় দুই হাজার বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ
৪। শ্রমবাজার সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন
পুরো সময়জুড়ে তাঁর বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনছিলাম। তাঁর বক্তব্যে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে পরিকল্পনা এবং বিভিন্ন বাস্তবমুখী উদ্যোগের কথা উঠে এসেছে।
৫। প্রবাসীদের পক্ষ থেকে হঠাৎ প্রশ্ন
কিন্তু তিনি যখন প্রবাসী কার্ড নিয়ে কথা বলা শুরু করলেন, তখন পেছনের সারি থেকে কয়েকজন প্রবাসী শ্রমিক একসঙ্গে অবৈধ শ্রমিকদের বৈধকরণের বিষয়টি তুলে ধরলেন।
তাঁরা সমস্বরে নিজেদের সমস্যার কথা বলতে শুরু করেন।
প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত শান্তভাবে উত্তর দেন। তিনি বলেন, প্রতিটি দেশের নিজস্ব আইন-কানুন রয়েছে। সেই আইন ও নিয়ম মেনেই যতটুকু সম্ভব, সরকার চেষ্টা করবে এবং যে বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব, সেগুলো করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তাঁর উত্তরটি ছিল সংযত ও বাস্তবধর্মী।
একটি আক্ষেপ থেকেই গেল -
আমার মনে হয়েছিল, তিনি হয়তো আরও দুই - একটি বিষয় নিয়ে কথা বলবেন। কিন্তু এরপরই বক্তব্য শেষ করে চলে গেলেন। আমার সবচেয়ে বড় আক্ষেপ ছিল - আমি নিজের মনে প্রস্তুত করে রাখা দুটি প্রশ্ন আর করতে পারলাম না।
নির্বাচনের আগে আমি দেখেছি, তিনি বিভিন্ন সভা-সমাবেশে উপস্থিত দর্শকদের কাছ থেকে প্রশ্ন নিয়েছেন এবং উত্তর দিয়েছেন। তাই ভেবেছিলাম, এখানেও হয়তো সেই সুযোগ থাকবে।
কিন্তু এই অনুষ্ঠানে প্রশ্নোত্তরের কোনো পর্ব রাখা হয়নি।
ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয়েছে, যদি অন্তত দুই থেকে চারটি প্রশ্ন দর্শকদের কাছ থেকে নেওয়া হতো, তাহলে পুরো অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত, অংশগ্রহণমূলক এবং সফল হতো।
 
পর্ব -৩
প্রধানমন্ত্রীকে কাছ থেকে দেখে এবং তাঁর বক্তব্য শুনে আমার কাছে তিনি অত্যন্ত সহজ-সরল, মার্জিত এবং দেশপ্রেমিক একজন মানুষ বলেই মনে হয়েছে।
তাঁর বক্তব্যের আরেকটি বিষয় আমার খুব ভালো লেগেছে। পুরো সময়জুড়ে তিনি কোনো রাজনৈতিক দলকে নিয়ে বিদ্রুপ, কটাক্ষ বা নেতিবাচক মন্তব্য করেননি। বরং তিনি শুধু দেশের উন্নয়ন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং নিজের চিন্তাভাবনাগুলো সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করেছেন।
ব্যক্তিগতভাবে তাঁর বক্তব্যের প্রতিটি বিষয়ই আমার কাছে যুক্তিসঙ্গত মনে হয়েছে।
অনুষ্ঠানের পর আরেকটি বিস্ময় -
অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর আমিও হল থেকে বের হয়ে গাড়িতে এসে বসলাম। যেহেতু নিরাপত্তার কারণে মোবাইল ফোন সঙ্গে নিতে পারিনি, তাই অনুষ্ঠানের কোনো ছবিও তোলা হয়নি।
গাড়িতে বসে ভাবলাম, যেহেতু ছবি তুলতে পারিনি, অন্তত এক্সেস কার্ডটির একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করি।
কিন্তু সেখানেই ঘটল আরেকটি বিস্ময় -
এতক্ষণ তাড়াহুড়োর কারণে কার্ডটি ভালোভাবে দেখা হয়নি। এবার খেয়াল করে দেখি, কার্ডে অনুষ্ঠানের দিন হিসেবে "সোমবার, ২১ জুন ২০২৬" লেখা রয়েছে।
চোখ যেন কপালে উঠে গেল!
আমার প্রথম প্রশ্ন ছিল - এই কার্ডটি আসলে কারা তৈরি করেছেন?
কারণ ২১ জুন ২০২৬ ছিল রবিবার, অথচ সেখানে সোমবার লেখা হয়েছে।
বিষয়টি জানার জন্য সংশ্লিষ্ট একজনকে ফোন করলাম।
আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম,
"আপনারা রবিবারকে সোমবার বানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান কীভাবে পরিচালনা করলেন? এমন একটি মৌলিক ভুল কীভাবে হলো?"
তিনি উত্তরে জানালেন, এই অনুষ্ঠানটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে হয়েছে এবং এক্সেস কার্ডটিও দূতাবাসের অনুমোদনক্রমেই ছাপানো হয়েছে। অর্থাৎ এটি তাদেরই ভুল।
সত্যি বলতে, একজন প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠান যা কিনা এম্বাসীর তত্ত্বাবধানে হয়েছে সেখানে এক্সেস কার্ডে এমন একটি সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ভুল আমার কাছে খুবই বিস্ময়কর লেগেছে।
এরপর আর কার্ডটির ছবি ফেসবুকে পোস্ট করার আগ্রহও অনুভব করিনি।
✍️আমার ব্যক্তিগত উপলব্ধি
এই পুরো অনুষ্ঠানের পর আমার ব্যক্তিগত উপলব্ধি হলো - মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশের উন্নয়ন নিয়ে আন্তরিকভাবে ভাবেন। তিনি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে চান।
তাঁর বক্তব্য শুনে আমার কাছে মনে হয়েছে, হয়তো তাঁর আশেপাশে থাকা কিছু মানুষ তাঁর চিন্তা, পরিকল্পনা এবং প্রত্যাশাগুলো সাধারণ মানুষের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে পারছেন না। অথবা তাঁকে মানুষের আরও কাছাকাছি পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে কোথাও না কোথাও ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।
আবার এটাও হতে পারে, আমাদের রাজনীতির যে পুরোনো ধ্যানধারণা ও সংস্কৃতি এখনও অনেকের মধ্যে রয়ে গেছে, সেখান থেকে সবাই পুরোপুরি বের হয়ে আসতে পারেননি।
তবে এটুকু আমি বিশ্বাস করি - একটি দেশের উন্নয়ন কখনোই একজন মানুষের একার পক্ষে সম্ভব নয়।
একটি দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সরকার, প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং সর্বোপরি আমাদের প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
সমালোচনা থাকতেই পারে, মতের পার্থক্যও থাকবে। কিন্তু দেশের স্বার্থে সবাই যদি নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করি, তাহলে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পথ আরও সহজ হবে।
আরেকটি বিষয় আমার দৃষ্টি কেড়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান অত্যন্ত মার্জিত ও পরিপাটি পোশাকে উপস্থিত ছিলেন। তিনি শান্তভাবে বসে ছিলেন এবং চোখ পিটপিট করে হাসিমুখে সবাইকে দেখছিলেন - দৃশ্যটি সত্যিই ভালো লেগেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর সহধর্মিণীর প্রতি যথেষ্ট সম্মান প্রদর্শন করেন, যা এতদিন টিভি বা সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখলেও সেদিন সরাসরি দেখে আরও ভালো লেগেছে। একজন রাষ্ট্রপ্রধান যখন প্রকাশ্যে তাঁর জীবনসঙ্গীকে সম্মান ও মর্যাদা দেন, তখন তা অনেকের জন্যই একটি ইতিবাচক উদাহরণ হয়ে দাঁড়ায়।
এটা আমার একান্তই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, পর্যবেক্ষণ এবং উপলব্ধি। ধন্যবাদ।
 
শারমিন হক
পিএইচডি গবষেক, ইউনিভার্সিটি অব মালয়া