আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ ও প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে সরকার এবং নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ, মাঠ প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আগের নির্বাচনগুলোর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সারা দেশে অন্তত তিন হাজার ১৫৫ ভোটকেন্দ্রকে ‘উচ্চমাত্রার ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্র ঘিরে সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা, প্রভাব বিস্তার কিংবা নাশকতার আশঙ্কা থাকায় বিশেষ নিরাপত্তা বলয় তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রায় ১০০ আসনে বিএনপি ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হয়েছে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে।
ইসি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর একাধিক সূত্র এবং জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা ও স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। এবার শুধু ভোটের দিন নয়, ভোটের আগের চারদিন ও ভোটের পরের দুদিন মিলিয়ে টানা সাতদিন সারা দেশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। লক্ষ্য একটাই—ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন এবং নির্বাচনি প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থা অটুট থাকে।
‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ কেন্দ্র ৩১৫৫
সারা দেশের ৪৩ হাজার ৭০০ কেন্দ্রের মধ্যে তিন হাজার ১৫৫ কেন্দ্রকে ‘অধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র বলতে কেবল সহিংসতার আশঙ্কাই নয়, বরং যেসব কেন্দ্রে অতীতে জটলা, প্রভাব বিস্তার, ব্যালট ছিনতাই, সংঘর্ষ কিংবা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোকেও এ তালিকায় রাখা হয়েছে। পাশাপাশি জনবহুল এলাকা, শিল্পাঞ্চল, শহরতলি, সীমান্তবর্তী ও দুর্গম অঞ্চলের কেন্দ্রগুলো বিশেষ নজরে রাখা হচ্ছে।
এর মধ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে ৮৪, পটুয়াখালীতে ৮০, কুষ্টিয়ায় ৭২ এবং ঢাকায় ৭০ কেন্দ্র উচ্চঝুঁকির তালিকায় রয়েছে। রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম—সব বিভাগেই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে। কিছু জেলায় একাধিক আসনে ৩০ থেকে ৮০টির বেশি কেন্দ্রকে ‘অধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। রংপুর বিভাগের পঞ্চগড়ে ১৪, ঠাকুরগাঁওয়ে ৮৪, লালমনিরহাটে ৪০, রংপুর সদরে ৩৩, গাইবান্ধায় ৩২ কেন্দ্র উচ্চ ঝুঁকিতে। রাজশাহী বিভাগে বগুড়ার চার আসনে ৩১, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৫, রাজশাহীর দুটি আসনে ২৮, নাটোরে ১৩, সিরাজগঞ্জে ১৮ ও পাবনায় ২৯টি। খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়ায় ৭২, চুয়াডাঙ্গায় ২২, ঝিনাইদহে ২১, যশোরে ১৩ ও খুলনা সদরে ৫৮টি। সাতক্ষীরায় ৫, বাগেরহাটে ৫৯টি। বরিশাল বিভাগের বরগুনায় ১৪, ঝালকাঠিতে ১৮ ও পটুয়াখালীতে ৮০টি। ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জে ৩০, মানিকগঞ্জে ৩৪, মুন্সীগঞ্জে ১৭ ও ঢাকা সদরে ৭০টি কেন্দ্র উচ্চমাত্রার ঝুঁকিতে।
এসব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের দিন ছাড়াও আজ বুধবার সরঞ্জাম পরিবহন ও ভোটগ্রহণ-পরবর্তী সময়ে বিশেষ স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন থাকবে। পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, ৬৪ জেলা ও ৮ মহানগরসহ পুলিশের ৭২টি প্রশাসনিক ইউনিটে সমন্বয় সভা হয়েছে। যেখানে ফোর্স বণ্টন, গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের আলোকে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের নিরাপত্তা কৌশল ও জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।
একাধিক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। এসব কেন্দ্রে টহল, চেকপোস্ট ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলায় ‘প্রস্তুত বাহিনী’ থাকবে।
মাঠে ৯ লাখ সদস্যের বিশাল বাহিনী
গণতন্ত্রের মহোৎসব উদযাপনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এবার দেশে আট বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। গত রোববার থেকে পুলিশ সদস্যরা মাঠে নেমেছেন। এর মধ্যে পুলিশ বাহিনীর এক লাখ ৮৭ হাজার সদস্য নির্বাচনি দায়িত্বে থাকছেন। এর মধ্যে এক লাখ ৫৮ হাজার সদস্য সরাসরি ভোটকেন্দ্র ও স্ট্রাইকিং ফোর্সে থাকবেন। বাকি ২৯ হাজার সাপোর্ট সদস্য হিসেবে কাজ করবেন। নির্বাচনের আগের চারদিন, ভোটের দিন এবং পরবর্তী দুদিন তারা টানা দায়িত্ব পালন করবেন।
গত ২০ জানুয়ারি থেকেই এক লাখ সেনাসদস্য মাঠে কাজ করছেন। এছাড়া বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৩৭ হাজার ৪৫৩ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। বরাবরের মতো সবচেয়ে বড় জনবল জোগান দিচ্ছে আনসার বাহিনী। পাঁচ লাখ ৬৭ হাজার ৮৬৮ সদস্যের মধ্যে পাঁচ লাখ ৫৫ হাজার ৯৫৮ জন সরাসরি কেন্দ্র পাহারায় থাকবেন। এছাড়া র্যাবের সাত হাজার ৭০০ সদস্য রয়েছেন নির্বাচনি দায়িত্বে।
দেশজুড়ে ৭০০টির বেশি টহল টিম থাকছে। নৌবাহিনীর পাঁচ হাজার, বিমান বাহিনীর তিন হাজার ৭৩০, কোস্ট গার্ডের তিন হাজার ৫৮৫ সদস্য মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন। বিজিবি ও কোস্ট গার্ড উপকূলীয় এবং দুর্গম এলাকাগুলোতে ১৮ জানুয়ারি থেকেই দায়িত্ব পালন শুরু করেছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ১৩ হাজার ৩৯০ সদস্য থাকছেন। স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কেন্দ্রগুলোর আশপাশে অচেনা ব্যক্তির গতিবিধি দেখলেই ব্যবস্থা নিতে।
জানা গেছে, প্রতি কেন্দ্রে ১৩ আনসার সদস্য থাকছেন। প্রতিটি কেন্দ্রে দুজন সদস্য বাড়তি দায়িত্ব হিসেবে সুরক্ষা অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। কেন্দ্রে অপ্রীতিকর কোনো পরিস্থিতি দেখা দিলে ওই দুই সদস্য তাৎক্ষণিক তথ্য অ্যাপের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের জানাবেন।
উপজেলাভেদে দুই থেকে চার প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকছে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির র্যাপিড অ্যাকশন টিম এবং হেলিকপ্টারসহ কুইক রেসপন্স ফোর্স রাখা হচ্ছে। প্রতিটি আসনে র্যাবের কমপক্ষে দুটি টহল টিম মোতায়েন এবং প্রতিটি ব্যাটালিয়নে দুটি টহল টিম স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে রিজার্ভ থাকবে। র্যাব সদর দপ্তরে ১৫টি টহল টিম রাখা হয়েছে সেন্ট্রাল রিজার্ভ হিসেবে। দেশব্যাপী স্থাপন করা হয়েছে ২৫টি অস্থায়ী ক্যাম্প।
কোস্ট গার্ডের ১০০ প্লাটুন উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী দুর্গম এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকার ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে। চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, কক্সবাজার, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী ও খুলনা জেলার ৬৯ ইউনিয়নের ৩৩২ কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনে মাঠে রয়েছে তারা।
রাজধানীতে থাকছে ২৫ হাজার পুলিশ সদস্য
গত সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, ঢাকায় ভোটের নিরাপত্তায় মাঠে নেমেছে ২৫ হাজার পুলিশ সদস্য। মহানগরীর দুই হাজার ১৩১ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩৭ কেন্দ্র উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ।
ডিএমপি কমিশনার জানান, নির্বাচন উপলক্ষে সুসমন্বিত নিরাপত্তা ছক তৈরি করেছে ডিএমপি। কেন্দ্রগুলোকে তিন স্তরে ভাগ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এক হাজার ৬১৪ কেন্দ্রের প্রতিটিতে চারজন করে, ৫১৭ সাধারণ কেন্দ্রের প্রতিটিতে তিনজন করে এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ৩৭ কেন্দ্রের প্রতিটিতে সাতজন করে পুলিশ সদস্য থাকবেন। কামরাঙ্গীরচর, বাড্ডার সাতারকুল, বেরাইদ এলাকার ভৌগোলিক অবস্থান ও জটিলতার কারণে ৩৭ কেন্দ্রকে বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
কমিশনার আরো জানান, ডিএমপির প্রায় ২৫ হাজার সদস্যকে নির্বাচনের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ভোট চলাকালীন স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কর্মকর্তাদের পোশাকে থাকবে ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে তদারকির জন্য ১৮০ স্ট্রাইকিং টিম ও ৫১০টি মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে।
বডিক্যাম ও ড্রোন : প্রযুক্তির নতুন ‘ডিজিটাল প্রহরী’
এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ও স্বচ্ছতার রক্ষাকবচ হলো ‘বডিক্যাম’ বা বডিওর্ন ক্যামেরা। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশের উচ্চমাত্রার ঝুঁকিপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ২৫ হাজার ৫০০ বডি ওর্ন ক্যামেরা রাখা হচ্ছে। এর মধ্যে ১৫ হাজার ক্যামেরায় সিমকার্ড যুক্ত থাকবে, অর্থাৎ অনলাইনে থাকছে। আর অফলাইনে থাকছে ১০ হাজার। যেকোনো ভোটকেন্দ্রে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে এসব ক্যামেরা থেকে সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে লাইভ স্ট্রিমিং করা যাবে। সার্বক্ষণিক লাইভ করার ব্যবস্থাও আছে। অফলাইন ক্যামেরাগুলোতে ভিডিও ধারণ করে পরবর্তীতে প্রয়োজন হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।
এসব ক্যামেরার মাধ্যমে সদর দপ্তরের কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টার থেকে সরাসরি লাইভ দেখা যাবে। এতে রয়েছে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) এবং ফেস রিকগনিশন সিস্টেম। কোনো কেন্দ্রে গণ্ডগোল শুরু হলে ‘এসওএস’ বার্তার মাধ্যমে তাৎক্ষণিক সতর্ক সংকেত বেজে উঠবে থানা ও এসপি অফিসে।
রাতের অন্ধকারেও স্পষ্ট ভিডিও ধারণে সক্ষম নাইট ভিশন ক্যামেরাগুলো জিপিএসের মাধ্যমে নির্দিষ্ট এলাকায় ডিউটিরত ফোর্সের অবস্থান নিশ্চিত করবে এবং নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে গেলে স্বয়ংক্রিয় অ্যালার্ম বেজে উঠবে।
এছাড়া আকাশপথে নজরদারির জন্য এক হাজার ড্রোন এবং বিস্ফোরক শনাক্তকরণে ৫০টি ডগ স্কোয়াড ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, উসকানি বা ভুয়া তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে সাইবার মনিটরিং টিম সার্বক্ষণিক কাজ করছে। সন্দেহজনক কনটেন্ট শনাক্ত হলে দ্রুত অপসারণ ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নাশকতার ছক ও গোয়েন্দা সতর্কতা
নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর দাবি, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নির্বাচনের সরঞ্জাম রাখা গুদাম ও অস্থায়ী স্টোররুমে ককটেল বিস্ফোরণ এবং অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে। বিশেষ করে রাতে বা ভোরের দিকে পাহারার দুর্বলতা খুঁজে হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসি ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি পরিবহন রুট গোপন রাখা এবং গুদামগুলোতে অতিরিক্ত সিসিটিভি ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছে।
ব্যালট ও সরঞ্জাম পরিবহনে আলাদা নিরাপত্তা
ব্যালট পেপার ও নির্বাচনি সরঞ্জাম জেলা সদর থেকে ইতোমধ্যে গত রোববার উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। নির্বাচনের আগের দিন আজ বুধবার বিকালে সেগুলো কেন্দ্রে পৌঁছানো হবে। সে পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে আলাদা নিরাপত্তা বলয় থাকবে। পরিবহনকালে সশস্ত্র পাহারা, নির্দিষ্ট রুট ও সময়সূচি অনুসরণ করা হবে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প রুটেরও প্ল্যান থাকছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) জানান, ‘এখন পর্যন্ত বড় কোনো শঙ্কার কারণ নেই; তবে আমরা কোনো ঝুঁকি নিচ্ছি না। সন্দেহভাজনদের ওপর কড়া নজরদারি চলছে। যেকোনো মূল্যে সরঞ্জাম রক্ষা এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বদ্ধপরিকর। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে।’