অনিয়ম ও জালিয়াতির কারণে সংকটে পড়ে একীভূত হওয়া ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’র ব্যক্তি আমানতকারীরা সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) থেকে তাদের জমা টাকার মূল অংশ (প্রিন্সিপাল অ্যামাউন্ট) ফেরত পাচ্ছেন।
আমানতের অর্থ ফেরত দিতে গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে চলে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
গ্রাহকদের অর্থ ফেরাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যেই ৫ হাজার কোটি টাকা সরবরাহ করেছে।
তীব্র সংকট সামাল দিতে এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক-এই পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠন করা হয়। ২০২২ সাল থেকেই ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে পারছিল না।
নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ৩০ হাজার কোটি টাকার মূলধনের মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংকগুলোর ৭৬ লাখ আমানতকারীর জমার পরিমাণ প্রায় এক লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে ব্যক্তি আমানতকারীদের সঞ্চয়ী হিসাবে আছে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা। বিপরীতে ব্যাংকগুলোর মোট এক লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকা ঋণের প্রায় ৮৬ শতাংশই খেলাপি হয়ে পড়েছে।