Image description

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। এরই মধ্যে তিনি দেশের নারীদের ভাগ্যোন্নয়নে ভূমিকা রাখা শুরু করেছেন। বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে, বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে নারীদের জন্য যেসব অঙ্গীকার করা হয়েছে, তার বেশির ভাগই ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের চিন্তার ফসল। জাইমা রহমান নারীদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে জোর দিয়েছেন।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক দলগুলোকে নারীদের নিরাপত্তায় দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জাইমা রহমান বলেছেন, রাজনীতিতে যেসব নারী সক্রিয়, নিজ অঙ্গনে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের একটি আচরণবিধি থাকা উচিত।

পলিসি মেকিংয়ে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে জাইমা বলেন, ছাত্র নেতৃত্ব থেকে স্থানীয় সরকার পর্যন্ত পাইপলাইন সৃষ্টি করতে হবে। বিষয়টি ধরে রাখতে না পারলে সুযোগ-সুবিধা থাকবে না। ফলে ভালো ভালো নেত্রীকে আমরা সুযোগ দিতে পারব না। তাই ধারাবাহিকতা তৈরির পাশাপাশি ধরেও রাখতে হবে। নারীদের জন্য নানাবিধ আর্থিক ও সামাজিক সুবিধা দানের প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়ন করতে হবে। তা ছাড়া সেফটির দিক থেকে যদি কোনো নারীনেত্রী বা স্টুডেন্ট লিডারের কিছু হয়, তাহলে দলগুলো লিগ্যাল কোড অব কনডাক্টের মাধ্যমে নারীকে প্রটেক্ট করবে। অর্থাৎ যদি নারীর কিছু হয় দল দায়িত্বটা নেবে যে আমরা ওনাকে প্রটেক্ট করব, ওনার পাশে থাকব।

আরেক অনুষ্ঠানে নারীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে জোর দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ থাকা প্রয়োজন, যাতে নারীনেত্রী বা কর্মীরা কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হলে তাদের পাশে দাঁড়াবে। রাজনীতি ও নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কে অবহিত না থাকলে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা তৈরি হয় না। উপযুক্ত অভিভাবকত্ব ও সহায়তা ছাড়া নতুন নেতৃত্ব বিকশিত হতে পারে না। পুরুষদের জন্য নানা সুযোগ থাকলেও নারীরা এখনো সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত। তাই নারীদের জন্যও কার্যকর সংযোগ ও সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। সহায়তার পাশাপাশি নারীনেত্রীদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জরুরি বলেও মন্তব্য করেন জাইমা রহমান।

রাজনীতিতে অর্থনৈতিক বিষয়টি বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে জাইমা রহমান বলেন, অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করতে নারীনেত্রীদের জন্য বাড়তি সুযোগ-সুবিধা প্রয়োজন। এতে নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণে যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা অনেকটাই কমে আসবে।

শীর্ষনিউজ