ওপর ওপর আজমানের জীবনযাত্রা এখনো স্বাভাবিক। দোকানপাট খোলা, যানবাহন চলছে, মানুষও প্রয়োজনমতো চলাফেরা করছে। বড় কোনো সমস্যা চোখে পড়ছে না। তবে আমরা শারজাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছাকাছি থাকি। এই ঘটনার পর থেকে সেখানে বিমান ওঠানামা চোখে পড়ছে না। ফ্লাইট বন্ধ। রাস্তায় যানবাহন চললেও আগের চেয়ে কম। রাতে মাঝেমধ্যে বিকট শব্দ শুনি। শব্দের উৎস কী, বলতে পারি না।
একধরনের অনিশ্চয়তা, উদ্বেগ, আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠার ভেতর দিয়ে সময় পার করছি। বাইরে থেকে সবকিছু স্বাভাবিক মনে হলেও আমাদের ভেতরে আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তা কাজ করছে। কখন কী হয়, এই শঙ্কা নিয়ে দিন কাটছে।
ভাইয়ের মৃত্যুর পর ছোট ভাই বাংলাদেশ দূতাবাস ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। সরকার কী সিদ্ধান্ত নেবে, এখনো জানি না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং লাশ হস্তান্তর করা হলে আমরা দুই ভাই মিলে বড় ভাইয়ের লাশ নিয়ে দেশে ফিরব।
চার মাস আগে শেষবার দেশে গিয়েছিলেন বড় ভাই। দেশে ভাবি আছেন, তাঁদের তিন ছেলে ও এক মেয়ে।
তাদের সামনে কীভাবে দাঁড়াব, ভাবতেই পারছি না।