নারায়ণগঞ্জের মেধাবী শিক্ষার্থী তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যার ১৩ বছর পূর্তিতে তার কবর জিয়ারত করেছেন পরিবারের সদস্য ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় বন্দর উপজেলার আধ্যাত্মিক সাধক সিরাজ শাহ্ এর আস্তানায় ত্বকীর কবর জিয়ারত করেন তারা।
ত্বকীর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ত্বকীর বাবা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি, তাঁর ছোট ছেলে রাকিব মুহাম্মদ সাকি, সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের সদস্য সচিব হালিম আজাদ, ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন, সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি জিয়াউল ইসলাম কাজল, প্রদীপ ঘোষ বাবু, জাহিদুল হক দিপু, সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক দিনা তাজরিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ধীমান সাহা জুয়েল, জেলা গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়কারী তরিকুল সুজন, নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস, সিপিবির জেলা সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, বাসদের সদস্য সচিব আবু নাঈম খান বিপ্লব, আবৃত্তিশিল্পী ফাহমিদা আজাদ, সমগীতের সাবেক সভাপতি অমল আকাশ, কবি কাজল কানন, সাংবাদিক রহমান সিদ্দিক, নারায়ণগঞ্জ বন্ধুসভার সাবেক সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিন্টু প্রমুখ। এ সময় নেতৃবৃন্দ দীর্ঘ সময় ধরে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা দ্রুত মামলার তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দাখিলের দাবি জানান।
২০১৩ সালের ৬ মার্চ অপহরণের দুদিন পর ত্বকীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছিল শীতলক্ষ্যা নদীর শাখা খাল থেকে। ২০১৪ সালের ৫ মার্চ র্যাবের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে ১১ জন মিলে ত্বকীকে হত্যা করেছে। ২০১১ সালে সিটি নির্বাচনে মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর পক্ষে অবস্থান নেওয়া, বাসভাড়া কমানোর আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়াসহ নানা কারণে রফিউর রাব্বিকে শায়েস্তা করতেই তার ছেলেকে হত্যা করা হয় বলে তখন জানানো হয়েছিল।
শীর্ষনিউজ