Image description

নরসিংদীর মাধবদীতে মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সূত্রে দেখা করতে গিয়ে চার সন্তানের জননী (৪০) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর বিকালে হৃদয় মিয়া (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

এর আগে, বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাতে মাধবদী থানার কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের খামারদী পদ্মারকান্দার একটি মাছের খামারের পুকুর পাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

 

গ্রেপ্তার হৃদয় মিয়া মাধবদী থানার খড়িয়া এলাকার আব্দুল আজিজের ছেলে।

 
 

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী (৪০) নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার বাসিন্দা হলেও তিনি নরসিংদীর মাধবদী পৌরসভা এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাড়িতে থাকেন। গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে তিনি তার সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে আড়াইহাজার পৌরসভা এলাকার একটি মার্কেটে ঈদের কেনাকাটা করতে যান। কেনাকাটার পর সন্তানকে বাসায় পাঠিয়ে দেন। গত কয়েকদিন ধরে আড়াইহাজার এলাকার এক যুবকের সঙ্গে ওই নারীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ ছিল। সে সুবোদে দেখা করার উদ্দেশ্যে নারী একাই এলাকার নরসিংদীর মাধবদী থানার কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের খামারদী এলাকায় যান।

 

রাত ৮টার দিকে ওই এলাকার একটি মাছের খামারের পাড়ে পৌঁছালে ওই যুবক তাকে রাস্তা থেকে পাশের পুকুরপাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অপেক্ষায় থাকা আরও তিন যুবকসহ ভুক্তভোগীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে বলে থানায় অভিযোগ করা হয়। এ সময় দুর্বৃত্তরা তার মোবাইল ফোন ও সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সাও নিয়ে নেয়। পরে ভুক্তভোগী নারী নিজেই বাদী হয়ে শুক্রবার মাধবদী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে হৃদয় মিয়া নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

 

এ বিষয়ে মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ হৃদয় মিয়া নামে একজনকে কাঠালিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং জড়িত অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগী নারীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

এর আগে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি মাধবদী থানা এলাকায় বাবা থেকে ১৫ বছরের মেয়েকে ছিনিয়ে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ঘটে। এ মামলায় ৮ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত সোমবার থেকে তারা ৮ দিনের রিমান্ডে রয়েছে। এ ঘটনার রেশ না কাটতেই আবার একই এলাকায় গণধর্ষণের ঘটনা ঘটল।