Image description

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ নামে কিছু না থাকায় যারা তাদের সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন সেটা নিজস্ব ব্যাপার। কিন্তু জাতীয় সংসদে সেই হিসেবে তারা অংশগ্রহণ করতে পারে না। শুধুমাত্র সংসদ সদস্যরা অংশগ্রহণ করতে পারেন।

সোমবার (২ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে এখনও নানা ধরনের আলোচনা চলছে। এনসিপি ও জামায়াতের পক্ষ থেকে এক ধরনের দাবি উঠছে। এই বিষয় নিয়ে সরকারের ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ১২ মার্চ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। সেখানে আমরা যারা সংসদ সদস্য শপথ গ্রহণ করেছি তারা সংসদ সদস্য হিসেবে যোগদান করবো। এর বাইরে সংবিধান সংস্কার পরিষদ নামে কিছু না থাকায় যারা তাদের সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। কিন্তু জাতীয় সংসদে সেই হিসেবে তারা অংশগ্রহণ করতে পারে না। শুধুমাত্র সংসদ সদস্যরা অংশগ্রহণ করতে পারেন।’

তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে মাঠে-ময়দানে যে আলাপ আলোচনা হচ্ছে সেটা রাজনৈতিক অধিকার হিসেবে বলতে পারে, কথা বলার অধিকার আছে। কিন্তু অসাংবিধানিক কিছু জাতীয় সংসদে আমরা উপস্থাপন করতে পারি না।

 

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, আমরা বলেছি গণভোটের রায় অনুসারে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হয় সেটা জাতীয় সংসদে আলাপ-আলোচনা এবং গণভোটের রায় কার্যকর করার মাধ্যমে। সে ক্ষেত্রে সংবিধানের সংশোধনী আনতে হবে। সংবিধানের সংশোধনী আনলে সেটা ধারণ করার পর জাতীয় সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়া হবে কি না, কে শপথ পড়াবেন, কোন ফর্মে করাবেন সেসব ধারণ করতে হবে। এগুলো দীর্ঘ প্রক্রিয়া। আলাপ-আলোচনার বিষয়।

তিনি বলেন, জানতে পেরেছি আজ সংবিধান সংস্কার আদেশ-২০২৫ নামে যে আদেশটি হয়েছিল সেটি নিয়ে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন মুভ হয়েছে। সেটি সংবিধানের ভায়োলেন্স হয়েছে অথবা বৈধতা নেই বলে দাবি করে রিট হয়েছে। বিচার বিভাগ থেকে কী মতামত আসে দেখার বিষয়। সেটাও জাতীয় সংসদে আলোচনা হবে।

সবকিছু নিয়ে জাতীয় সংসদে আলোচনা হবে এটাই গণতান্ত্রিক চর্চা, যুক্ত করেন সালাহউদ্দিন আহমদ।