স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, পুরোনো প্রতিশ্রুতির বোঝা বা অভিযোগ এখনই আমাদের ওপর চাপাবেন না। আমরা মাত্র কাজ শুরু করেছি। কিছুদিন সময় দিন, আমাদের কার্যক্রম লক্ষ্য করুন।
রবিবার (১ মার্চ) বিকেলে কড়াইল বস্তিতে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম ও বস্তি এলাকা পরিদর্শনের পর এসব কথা বলেন তিনি।
এসময় গত সরকার এবং প্রশাসনের প্রতিশ্রুতির দায় বা তাদের প্রতি অভিযোগ নতুন সরকার বা সদ্য নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকের ওপর না চাপানোর অনুরোধও করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী।
বর্তমান সরকার ও নতুন প্রশাসন মানুষের দুর্ভোগ কমাতে নিরলস কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। ফ্যামিলি কার্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে আমাদের স্কুলশিক্ষক ও সমাজকর্মীরা তথ্য সংগ্রহ করছেন। আগামী ১০ মার্চ পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের ১৪টি স্থানে এ কর্মসূচির উদ্বোধন ও কার্যক্রম শুরু হবে। কড়াইল এলাকাও সেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ডিজিটাল ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে কেউ যেন কোনো দালাল, টাউট বা বাটপারের খপ্পরে পড়ে ঘুষ বা অর্থ লেনদেন না করেন, সেই আহ্বান জানাই। উপকারভোগীরা তাদের নিজস্ব বিকাশ, নগদ বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যেটি তারা পছন্দ করবেন সে অ্যাকাউন্টে সরাসরি প্রতি মাসের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে অর্থ পেয়ে যাবেন। এখানে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী, দ্বিতীয় বা তৃতীয় পক্ষের সংশ্লিষ্টতা থাকবে না।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অধীন সব বস্তি, লেক ও ফুটপাথের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের সুবিধা, দুর্ভোগ লাঘব, পরিবেশবান্ধব ও মশামুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা, আলোকিত এলাকা, সুন্দর ফুটপাথ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা তৈরির লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।
পরিদর্শনে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকসুদ জাহেদী, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ মো. মেহেদুল ইসলাম, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসানসহ ডিএনসিসির বিভাগীয় প্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন।