ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। জেলার সব কেন্দ্রের ফলাফলে তারা নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীদের পরাজিত করেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুযারি) রাতে প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফল থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া)
সংসদীয় আসন নম্বর ১০৫-এর ১৬৮টি কেন্দ্রের ফলাফলে দাড়িপাল্লা প্রতীকের ইজ্জত উল্যাহ পেয়েছেন ২ লাখ ৭ হাজার ৫৯৪ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ৯৬৮ ভোট।
সংসদীয় আসন নম্বর ১০৬-এর ১৮০টি কেন্দ্রের ফলাফলে দাড়িপাল্লা প্রতীকের মুহাদ্দিস আবদুল খালেদ পেয়েছেন ২ লাখ ৬০ হাজার ৪২৩ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের আব্দুর রউফ পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৯১ ভোট।
সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ)
মোট ১৬৫টি কেন্দ্রের ফলাফলে এ আসনে দাড়িপাল্লা প্রতীকের রবিউল বাশার পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফুটবল প্রতীকের ডা. শহিদুল আলম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৮৩৪ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের কাজী আলাউদ্দীন পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৭৩৪ ভোট।
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর)
সংসদীয় আসন নম্বর ১০৮, সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনে মোট ৯৬টি কেন্দ্রের ফল পাওয়া গেছে। এ আসনে দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী গাজী নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৪৬২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের ড. মো. মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৪২৪ ভোট।
উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ্ আফরোজা আক্তার বলেন, আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হবে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারা দেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটযুদ্ধ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ শেষ হয় বিকেল সাড়ে ৪টায়।
এদিন সকাল থেকে কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার পর ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ভোটাররা আগামীর বাংলাদেশ পুনর্গঠনে তাদের মতামত দিয়েছেন।