Image description

পটুয়াখালী- ১, নোয়াখালী- ১, ভোলা- ১ ও নরসিংদী- ৫ আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনে এসেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। পাশাপাশি অনিয়মের অভিযোগ এনে পটুয়াখালী- ১ আসনের দুটি ইউনিয়নে ভোট বাতিল চেয়েছে দলটি।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টায় দলটির পাঁচ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল ইসিতে আসে। তারা নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

পরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, আমরা বাধ্য হয়েই ইসিতে এসেছি। ইসি সচিব বলেছেন বিষয়গুলো দেখবেন।

দলের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, নোয়াখালী-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখার প্রার্থী জহিরুল ইসলামের ওপর মহুরগঞ্জ এলাকায় হামলা হয়েছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। তার সঙ্গে থাকা তিনজন কর্মীও গুরুতর আহত হয়েছে। ভোটের দিন সকাল থেকে মহুরগঞ্জ সেন্টারে হাতপাখার ভোটাররা ভোট দিতে বাধার সম্মুখিন হন। প্রশাসনের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করার পরও কোনো উদ্যোগ নেয়নি। সোনাইমুড়ি উপজেলার দেওড়ি ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডে হাতপাখার এজেন্ট ও কর্মীদের ওপর বিএনপি কর্মীরা হামলা করেছেন।

 

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ভোলা-১ আসনে দিঘোলদী ইউনিয়নে দলের প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট ও সেন্টারের পোলিং এজেন্টের ওপর হামলা হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে হাতপাখার ভোটরদের ভোট প্রদানে বাধা দেওয়া হয়। একই আসনের ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ব্যাংকেরহাট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় জামায়াতের কর্মীরা হাতপাখার নারী ভোটারদের জোর করে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে বাধ্য করেছেন।

এতে আরও বলা হয়, পটুয়াখালী-১ আসনে মির্জাগঞ্জ উপজেলার আমগাছি ও মাদবখালী ইউনিয়নের সব সেন্টার থেকে হাতপাখার পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। নরসিংদী-৫ আসনের রায়পুরার মির্জানগর ইউনিয়নের ভোটকেন্দ্র রায়পুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে হাতপাখার পোলিং এজেন্টদের বের করে দিয়ে প্রশাসনের সামনেই জাল ভোট দেন বিএনপি কর্মীরা।