বরগুনা-১ আসনের ৭নং ঢলুয়া ইউনিয়নের হাতপাখার কর্মীর ওপর হামলা করে পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির কর্মী সমর্থকরা এই ওই ব্যক্তির পায়ে সাবল দিয়ে আঘাত করে ভেঙে দেয় বলে জানিয়েছে দলটি।
বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান এই অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের আর মাত্র কয়েকঘণ্টা বাকি আছে। এমন সময়েও সন্ত্রাসীদের কর্মকাণ্ড থেমে নাই। মঙ্গলবার রাতেও তারা বরগুনা-১ আসনের আওতাধীন ৭নং ঢলুয়া ইউনিয়নের এক ব্যক্তি হাতপাখায় ভোট দেওয়ার কথা বলায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির কর্মী সমর্থকরা হামলা করে তার পায়ে সাবলের আঘাত দিয়ে ভেঙে দেয়। এতে আহত ব্যক্তির পায়ের দুই জায়গায় ভেঙে ঝুলে যায়।
আহতকে তৎক্ষণাৎ বরগুনা সদর হসপিটালে নেওয়া হলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বরিশালের রেফার করা হয়।
স্থানীয় সূত্র ও আহত ব্যক্তির ভাষ্যমতে, বিএনপির উঠান সভা চলাকালে উক্ত ব্যক্তি পথ দিয়ে যাচ্ছিলো। এমতাবস্থায় তাকে কোথায় ভোট দিবে তা জিজ্ঞেস করলে সে হাতপাখার কথা বলে। এসময়ে উপস্থিত বিএনপি কর্মী আলামিন (পিতা: আলতাফ হোসেন) তার হাতে থাকা শাবল দিয়ে তার পায়ে আঘাত করে।
এছাড়াও আলামিনের সাথে থাকা একাধিক ব্যক্তি এলোপাতাড়ি হামলা করে। পরবর্তীতে আশপাশের মানুষ এগিয়ে এসে আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে।
তিনি আরো বলেন, এ বিষয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর জেলা শাখা ও বরগুনা-১ আসনে হাতপাখা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থী মাওলানা অলিউল্লাহ মামলা দায়ের করেছেন। আমরা এ বিষয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সাথে সাথে উপযুক্ত বিচার দাবি করছি।
অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, নির্বাচনকে উৎসবমুখর করার যে প্রত্যাশা প্রধান উপদেষ্টা করছেন তার জন্য জন্য এইসকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।