Image description

একদিন পরই নির্বাচন। প্রচার প্রচারণা বন্ধ। ঠিক ওই সময়েও কক্সবাজারে কালো টাকা বিতরণ, গোপন প্রচারণা এবং অস্ত্রধারীদের দিয়ে ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এছাড়া প্রশাসনে অভিযোগ করেও দৃশ্যমান কোনো কার্যক্রম দেখা যাচ্ছে না দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে দলটি।

মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে কক্সবাজার জেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন, জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি আল আমিন মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। এ সময় এসব ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। না বলেও দাবি করেছে দলটি।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আনুষ্ঠানিক প্রচার শেষ হলেও বিভিন্ন এলাকায় গোপনে প্রচার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে কালো টাকা বিতরণের মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে।

দাবি করা হয়, চিহ্নিত অস্ত্রধারীরা এলাকায় ঘোরাফেরা করে সাধারণ মানুষের মাঝে ভয়ভীতি ছড়াচ্ছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ দেয়া হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

জামায়াতের অভিযোগ, কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়া এলাকায় ভোট কেন্দ্রে লাগানো সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয়েছে।

এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত নেতারা বলেন, বাকি সিসি ক্যামেরাগুলোর নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ভোটের দিন লোডশেডিং হলে পর্যবেক্ষণ ও স্বচ্ছতা নিয়ে আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা তাদের। তারা ভোটের দিন নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম অঞ্চল সদস্য মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কাশেম, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির খোরশেদ আলম আনসারি, সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ছলিম উল্লাহ বাহাদুর, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি রিয়াজ মোহাম্মদ শাকিল প্রমুখ।