রাজশাহী-৪ বাগমারা আসনে জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় পদ হারিয়েছেন ছাত্রদল নেতা মুস্তাফিজুর রহমান মিলন। তিনি বাগমারা উপজেলার ভবানীগঞ্জ পৌরসভা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুমোদনক্রমে তাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে জামায়াত প্রার্থী আবদুল বারীর পক্ষে একটি পোস্ট দেন তিনি। ওই পোস্টে উপজেলার বড় বিহানালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমানের একটি বক্তব্যের ব্যাখ্যা তুলে ধরেন মুস্তাফিজুর রহমান মিলন। যেখানে চেয়ারম্যান জামায়াত প্রার্থীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তারা জান্নাতের টিকিট বিক্রি করে লোকজনকে দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে মুস্তাফিজুর রহমান বিএনপি নেতার বক্তব্য ও জামায়াত প্রার্থীর বক্তব্য একসঙ্গে উল্লেখ করে লেখেন, কাউকে ট্রল করার আগে বুঝতে হবে সে কী বলেছে, না বুঝে মন্তব্য করা ঠিক না। তার এ স্ট্যাটাসে সামাজিক মাধ্যমে অনেকে সমর্থনও জানান।
আগের দিনও তিনি জামায়াত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভার ছবি পোস্ট করে লিখেছিলেন, দাঁড়িপাল্লার জয় হবে ইনশাল্লাহ।
ছাত্রদল নেতার সর্বশেষ পোস্টের প্রায় তিন ঘণ্টা পর ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তাকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুমোদনক্রমে তাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার সাথে কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার জন্য নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, এতে কিছু যায় আসে না। তবে বহিষ্কারের বিজ্ঞপ্তিতে আমার ফেসবুক আইডির নাম ব্যবহার করা হয়েছে, সাংগঠনিক নাম মিলন পারভেজ।