জুলাই বিপ্লবের পর হজ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। যৌক্তিক খরচে হজ পালনের যে জনআকাঙ্ক্ষা ছিলো সেটি নিয়ে আমি বিশেষভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি, বলেছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ সব কথা বলেন।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, গতবছর সরকারি ব্যয়ে কাউকে হজ নেওয়া হয়নি। এ বছরও কাউকে নেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, গত দেড় বছর অত্যন্ত স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সততার সাথে আমি দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোকে সক্রিয়, গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার সর্বাত্মক চেষ্টা করে গেছি।
কর্মকর্তা- কর্মচারীদেরকেও সততা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি, উৎসাহ-অনুপ্রেরণা যুগিয়েছি।
উপদেষ্টা আরো বলেন, ২০২৪ সালের হজে যেখানে বিমান ভাড়া ছিলো এক লক্ষ ৯৪ হাজার ৮০০ টাকা ২০২৬ সালের হজে এসে বিমান ভাড়া হয়েছে এক লক্ষ ৫৪ হাজার টাকা। এটাকে আরো কমানোর বিষয়ে আমি চেষ্টা অব্যাহত রেখেছিলাম।
উপদেষ্টা বলেন, আমরা গতবছর সরকারি মাধ্যমের হাজীদেরকে হজের খরচ নির্বাহ শেষে উদ্বৃত্ত ৮ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা ফেরৎ দিয়েছি। এছাড়া, ২০১৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত হজ এজেন্সির অব্যয়িত প্রায় ৩৮ কোটি টাকা যেটা সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের আইবিএন হিসেবে পড়ে ছিলো সেটা অব্যাহত যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা ফেরৎ এনে সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোকে ফেরৎ দিয়েছি।
আমার দেশ