সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জামায়াত আমিরের এক্স হ্যান্ডেল হ্যাক হওয়া নিয়ে ডিবির বরাতে বিপরীত দাবি সম্বলিত ভিন্ন ভিন্ন ফটোকার্ড প্রচার করা হচ্ছে।
Channel Ai নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে ডিবি কর্মকর্তা সৈয়দ হারুন অর রশীদের ছবি ব্যবহার করে তৈরি একটি ফটোকার্ড পোস্ট করে দাবি করা হয়েছে, “হ্যাক হয়নি জামাতের আমির শফিকের আইডি। নিজেই দিয়েছেন পোস্ট: ডিবি।” প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই পোস্টটি ১২ হাজারের বেশি বার শেয়ার করা হয়েছে।
একই দাবি সম্বলিত আরও পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে এবং এখানে।
অন্যদিকে, সম্পূর্ণ বিপরীত দাবি তুলে ধরে ডিবির একই কর্মকর্তা ও চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের লোগো সম্বলিত একটি ফটোকার্ড পোস্ট করা হয়েছে Helal Ahmed Helal নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে। সেখানে দাবি করা হয়, “জামায়াত আমিরের এক্স আইডি হ্যাকের বিষয়ে সত্যতা খুঁজে পেয়েছি: ডিবি।” প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই পোস্টটি সাড়ে ১০ হাজারের বেশি বার শেয়ার করা হয়েছে।
একই দাবি সম্বলিত আরও পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে এবং এখানে।
তবে দ্য ডিসেন্টের যাচাইয়ে দেখা গেছে, উল্লেখিত দুটি দাবিই বানোয়াট।
এ বিষয়ে গুগলে প্রাসঙ্গিক কী-ওয়ার্ড সার্চ করে নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়। আমার দেশ, সারাবাংলা ও এখন টিভির অনলাইন ভার্সনে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, জামায়াত আমিরের এক্স হ্যান্ডেল হ্যাকের বিষয়টি এখনও তদন্তনাধীন।
সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, ডিবির সাইবার ক্রাইম ইউনিটের জয়েন্ট কমিশনার সৈয়দ হারুন অর রশীদ বলেন, “ডা. শফিকুর রহমানের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে ডিবি। এখন দেখা হচ্ছে এটি সত্যিই হ্যাক হয়েছে কি না। যদি হ্যাক হয়ে থাকে, তাহলে কারা এবং কীভাবে হ্যাক করেছে, তা তদন্ত করা হচ্ছে।”
অতএব, জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স আইডি হ্যাক হওয়ার সত্যতা পাওয়া গেছে কিংবা পাওয়া যায়নি—এমন কোনো বক্তব্য ডিবি কর্মকর্তা প্রদান করেননি। ডিবির ভাষ্য অনুযায়ী, পুরো বিষয়টি এখনও তদন্তনাধীন।