ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশার খানের বিরুদ্ধে টাকা ও পেশিশক্তি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও দলীয় দ্বন্দ্বের জেরে দ্বিধাবিভক্ত বিএনপির একাংশের কিছু নেতা-কর্মীকে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে নিজের পক্ষে টানছেন তিনি। পাশাপাশি ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট কেনার উদ্দেশ্যে নগদ অর্থ বিতরণের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টাকালে তার কয়েকজন সমর্থককে স্থানীয়রা আটক করে গণধোলাই দিয়ে ছেড়ে দেন। এছাড়া অবৈধ অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার মাহবুবুর রহমান সজিবকে আবুল বাশার খানের ঘনিষ্ঠ সমর্থক বলে দাবি করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যমতে, তিনি এলাকায় ভীতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে অস্ত্র বহন করছিলেন।
এ বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম বলেন, পরিকল্পিতভাবে অর্থ ব্যয় করে ও লোক ভাড়া করে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসিবুর রহমান অপু ঠাকুরও কালো টাকা ও সন্ত্রাসী তৎপরতার অভিযোগ করেন। তবে এসব অভিযোগ সম্পর্কে জানতে ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশার খানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।