২৮ জানুয়ারি বুধবার শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের ঝিনাইগাতী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিএনপি–জামায়াতের সংঘর্ষে নিহত জামায়াত নেতা ও শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। তার জানাজায় মানুষের ঢল নামে।
শ্রীবরদী উপজেলার হাইস্কুল মাঠে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ড. মো. সামিউল হক ফারুকী এবং শেরপুরের তিনটি আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থীসহ প্রায় লক্ষাধিক মানুষ জানাজায় অংশ নেন।
জানাজায় ড. সামিউল হক ফারুকী বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। যার কারণেই শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠের মতো একটি প্রশাসনিক অনুষ্ঠানে এমন সহিংসতা ঘটেছে। জানাজা শেষে জামায়াতের নেতৃবৃন্দ বিক্ষোভ মিছিল করেন।
রাত আটটায় উপজেলার গোপালখিলা হাইস্কুল মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে রেজাউল করিমের দাফন সম্পন্ন করা হয়।