অনলাইনে ছাপড়িপণা, অফলাইনে নারীপুরুষ নির্বিশেষে বিপক্ষের কর্মী নেতাদের শারীরিকভাবে আঘাত করা, নেতার মঞ্চে উঠে হাসিনা স্টাইলে টিটকারি করা বেড়েই চলেছে।
আজ এক জামাতি নারীর কান ছিড়ে ফেলা তো, কাল অরেক জামাতি নারীর মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাড়ি। সেই সাথে বিএনপি নেতাদের হুঙ্কার জামাতি নারীরা ক্যাম্পেইন করতে বাড়ি আসলে ৯৯৯ কল দিয়ে পুলিশে খবর দাও, জামাতি নারীদের পেটিকোট খুলে নাও। ফেইক ফটোকার্ড, ফেইক ভিডিও দিয়ে ফেইসবুক সয়লাব।
গতকাল তারা জামায়াতের একজনের লাশ ফেলেছে। প্রশাসন উপস্থিত থেকেও কিছু করে নাই, নিজেদের অপারগতা দেখিয়েছে। পুলিশ আর আর্মি নিজের উপস্থিত থেকেও কেন অপারগ তা বুঝা খুব সহজ।
এগুলো একের পর এক ডেঞ্জারাস এস্কেলেশন। এগুলোকে ঘিরেই শুরু হলো নির্বাচনী সহিংসতা। আর মাত্র ১৫ দিন। এই ১৫ দিনে বিএনপি হয়ে উঠবে মারমুখী, আর সাথে জামায়াত যদি নিজেদের উপরে হামলা ঠেকাতে না পারে, তো নির্বাচন এক পাক্ষিক ভাবে জোর দখল হয়ে যাবে।
আমরা ফের হাসিনার আমলেই ফিরে গেছি। আওয়ামী স্টাইলে চাপাতি যখন রাজনীতির মাঠে তখন তো আমরা ধরেই নিব যে বিএনপি আর আওয়ামী এখন রাজনীতির মাঠে মিলেমিশে একাকার।
বিএনপির সুপ্রিম নেতা, তারেক রহমান, হাজার হাজার উপস্থিত মানুষের সামনে ছাত্রদলের নেতাদের পায়ের কাছে রাখার যে নজির দেখালেন, তাতে দেশের শিক্ষিত সমাজ হতাশ। এই দলে যে কেন মেধার বিকাশ হয় না তা এখন পরিষ্কার। এই দলকে ঘিরে কেন ছাপড়ি একটিভিস্ট আর ছাপড়ি বুদ্ধিজীবীদের মিলনমেলা তা সহজেই অনুমেয়। ছাপড়িদের তেলের জোরেই বিএনপির গাড়ির চাকা ঘুরে।
যেখানে মেধার মূল্যায়ন নেই, পা চাটার মূল্যায়ন বেশি তার দেশ কিভাবে চলবে তা সহজেই অনুমেয়। হাসিনা পরবর্তী সময়ে যেই সুন্দর বাংলাদেশ দেখার স্বপ্ন মানুষ দেখেছিল, গত একমাস তা একে একে নষ্ট হয়ে গেছে। আসতে দেন এদের ক্ষমতায়, বিরোধীদের এরা উঠতে পেটাবে, বসতে পেটাবে। ঘরবাড়ি ছাড়া করবে। ফের হবে আরেক জুলাই। কিন্তু ততদিনে অনেকের জীবনযাত্রা ধ্বংস হয়ে যাবে।
এরপর?
যেই বিপ্লব ৫ ই অগস্টের পর হাইজ্যাক হয়ে গিয়েছিল, তা আবার ট্র্যাকে ফিরবে।