Image description
 

সারা দেশে অন্তত ৭০টি সংসদীয় আসনে বিএনপির ভেতর থেকে উঠে আসা বিদ্রোহী প্রার্থীরা দলটির আনুষ্ঠানিক মনোনীত প্রার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলেও সেটা প্রভাব ফেলতে পারে বলে শঙ্কা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। যদিও বিএনপির হাইকমান্ড বলছে, তারা এখনও মনে করেন ভোটের আগে দলের মনোনীত প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়াবেন বিদ্রোহীরা। কিন্তু, আসলেই কি তাই? বিদ্রোহীদের অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা দেছে, তাদের দীর্ঘ ১৬ বছরের আনুগত্যকে বিবেচনায় না নেওয়ায় দলের বিপরীতে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন তারা। জিতে আসতে পারলে দল তাদের ঠিকই গ্রহণ করবে।

তৃণমূল প্রতিনিধিরা বলছেন, ২২ জানুয়ারির পর নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হলে মনে হচ্ছে— একাধিক ভিন্নমতাবলম্বী প্রার্থী মাঠে থাকায় বিএনপির ভোটব্যাংক বিভক্ত হওয়ার শঙ্কা বাড়ছে। এতে প্রতিদ্বন্দ্বী জোটপ্রার্থীরা সরাসরি সুবিধা পেতে পারেন। একাধিক আসনের ফলাফল পাল্টে যেতে পারে বলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। আর বাকি আট আসনে নিজ দলের প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন যুগপৎ আন্দোলনের শরিকরা। ২৯২টি আসনের মধ্যে প্রথমে আইনি জটিলতায় তিনটি আসন থেকে ধানের শীষের প্রার্থী ছিটকে পড়েন। তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। পরবর্তীকালে চূড়ান্ত আপিলে আরও দুজন মনোনয়ন ফিরে পেয়েছেন। সে হিসাবে বর্তমানে ২৯১টি আসনে ধানের শীষের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর বিপরীতে মনোনয়ন না পাওয়া অনেক নেতা কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে নেমেছেন।

বিএনপির সমর্থন পাওয়া কমপক্ষে ৬২টি আসনে এখনও ৭২ বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। এসব বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে এক ধরনের অস্বস্তিতে রয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা। দলীয় হাইকমান্ডের দফায় দফায় বৈঠকের পরও তাদের সরানো যাচ্ছে না। ইতোমধ্যে ৭১ বিদ্রোহীকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বহিষ্কার করেছে দলটি। সাংগঠনিক শাস্তির খড়গ মাথায় নিয়েই তারা রয়েছেন ভোটযুদ্ধে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শেষ পর্যন্ত বিদ্রোহীরা ভোটে থাকলে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা, যার সুবিধা পেতে পারেন প্রতিপক্ষের প্রার্থীরা।

 

প্রভাব ফেলবে ঢাকার বিদ্রোহীরা

সম্প্রতি রাজধানীর একটি আসনের জামায়াত প্রার্থীর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে তিনি বলছেন, “ঢাকার একটা আসনও বিএনপিকে দেওয়া হবে না।” বিশ্লেষকরা বলছেন, ঢাকায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর সুবিধা নিয়েই তারা (প্রতিপক্ষ) এগিয়ে যাবে বলে হিসাব কষছে।

গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’র সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম (তুলি) ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী। তার বিপক্ষে স্বতন্ত্র হয়ে লড়ছেন দারুস সালাম থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক (সাজু)। দলীয় নির্দেশনা না মানায় ইতোমধ্যে তিনি বহিষ্কার হয়েছেন। এখানে জামায়াতের প্রার্থী মীর কাসেমের ছেলে ব্যারিস্টার আরমান। এই প্রার্থী নিজেও গুমের শিকার হয়েছিলেন। বিদ্রোহীরা ভোটের মাঠে কী প্রভাব ফেলছে, এই আসনটি তার অন্যতম উদাহরণ।

ঢাকা-৭ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই করছেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার। নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে এখনও রয়ে গেছেন বহিষ্কৃত সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর। নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন। এছাড়া রাজবাড়ী-২, মাদারীপুর-১, মাদারীপুর-২, কিশোরগঞ্জ-৫, মুন্সীগঞ্জ-১, মুন্সীগঞ্জ-৩, টাঙ্গাইল-১, টাঙ্গাইল-৩, টাঙ্গাইল-৫, মানিকগঞ্জ-১, মানিকগঞ্জ-৩ ও গোপালগঞ্জ-২ আসনে দলের বিপরীতে স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করছেন বিএনপির সাবেক নেতারা।

উত্তরবঙ্গে বিএনপির বিদ্রোহী আসনে প্রতিপক্ষের সম্ভাবনা

নাটোর-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। তার বিরুদ্ধে ডা. ইয়াসিন আরশাদ রাজন ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এর মধ্যে ডা. আরশাদ পুতুলের আপন বড় ভাই। বিদ্রোহী এই দুজনকেই দল বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে বোনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সরে গেছেন ভাই আরশাদ। কিন্তু টিপু এখনও রয়ে গেছেন।

রাজশাহী-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলামের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইসফা খায়রুল হক শিমুল। নাটোর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনুর বিরুদ্ধে দাউদার মাহমুদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রংপুর বিভাগের নীলফামারী-২, দিনাজপুর-২ ও গাইবান্ধা-৫ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে। এখানকার পুরোনো রাজনীতিকরা মনে করেন, বিদ্রোহী প্রার্থী থাকলে সেই আসনে সুবিধা সবসময় প্রতিদ্বন্দ্বী বড় দল পেয়ে যায়।

বিদ্রোহীদের বিপরীতে মনোনীতদের অস্বস্তি

বিএনপির ছেড়ে দেওয়া আট আসনে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করছেন শরিক দলের ৮ নেতা। এর মধ্যে পাঁচটি আসনেই রয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী। এ কারণে অস্বস্তিতে রয়েছেন শরিক দলের নেতারা।

বিএনপি সমর্থিত দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসন ছাড় পেয়েছে ধর্মভিত্তিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। চারটি আসনে ছাড় পেলেও তিনটিতেই বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। তারা এখনও প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।

সিলেট-৬ (কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ) আসনে বিএনপির সমর্থন পেয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি উবায়দুল্লাহ ফারুক। তবে তার শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা মামুনুর রশীদ (চাকসু মামুন)। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ) আসনে বিএনপির সমর্থন পেয়েছেন জমিয়ত সহসভাপতি জুনায়েদ আল হাবিব। তার প্রতিপক্ষ হিসেবে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা দলটির সাবেক সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছেন। একই দল থেকে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে বিএনপির সমর্থন পেয়েছেন জমিয়ত নেতা মনির হোসেন কাসেমী। তিনি বিএনপির একটি অংশের সমর্থন পেয়েছেন। তবে এখনও মাঠে রয়েছেন বিএনপির দুই বহিষ্কৃত নেতা মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন।

পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা ও গলাচিপা) আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি। তবে এখানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাসান মামুন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন। দল থেকে বহিষ্কার হলেও তিনি নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রচারণা ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ঢাকা-১২ আসনে জোট শরিক বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হককে ছাড় দিয়েছে বিএনপি। তবে এখানে যুবদলের সাবেক সভাপতি ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন। ইতোমধ্যে দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিএনপি সমর্থিত ও বিদ্রোহী দুই প্রার্থীর মন্তব্য

এ বিষয়ে ঢাকা ও ঢাকার বাইরের দুই প্রার্থী বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে কথা বলেন। এর একজন হলেন ঢাকা-১২ আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী সাইফুল হক। তিনি বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক। বিএনপি তাকে মনোনয়ন দিলেও তার বিপক্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা সাইফুল আলম নীরব। এ বিষয়ে সাইফুল হক বলেন, “আমার সঙ্গে বিএনপির মূলধারার নেতাকর্মীরা রয়েছেন। নির্বাচনের আগে আশা করি আরও অনেকে চলে আসবেন।”

বিদ্রোহী হিসেবে লড়ছেন কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনের প্রার্থী আতিকুল আলম শাওন। সেখানে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন এলডিপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ করা রেদোয়ান আহমেদ। স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুল আলম শাওন বলেন, “বিগত ১৭ বছর আমরা জেল-জুলুমের শিকার হয়েছি। আমাদের প্রত্যাশা ছিল, আমরা ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাবো। কিন্তু আমরা পাইনি। তাই তৃণমূলের চাপে পড়ে প্রার্থী হতে বাধ্য হয়েছি।”

চট্টগ্রাম বিভাগের একটি আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বলেন, “দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ধানের শীষের পক্ষে ব্যাপক গণজোয়ার দেখতে পেয়েছি। কিন্তু দলের একটি অংশের সহযোগিতা পাচ্ছি না। তারা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন। এমনটি চলতে থাকলে নির্বাচনে বড় ধরনের খেসারত দিতে হতে পারে।”

বিএনপির অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, বিদ্রোহী প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে সরিয়ে আনতে বিএনপি ব্যাপক চেষ্টা চালিয়েছে। একাধিক দফায় বৈঠক করেছে। এমনকি দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ স্বতন্ত্র প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তার অনুরোধে কিছু প্রার্থী সরে দাঁড়ালেও বেশিরভাগই মাঠে রয়ে গেছেন। দলীয় নির্দেশ অমান্য করায় তারা বহিষ্কারের মুখে পড়েন।

এ ব্যাপারে সিনিয়র সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “বিদ্রোহী প্রার্থীরা বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। একটি আসনে দুজন প্রার্থী থাকা মানে তাদের জন্য কঠিন। এটা আরও আগে চাইলে তারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারতো। আমি মনে করি এটি তাদের শীর্ষ নেতৃত্বের বড় ব্যর্থতা। এখনও চাইলে বিএনপি তাদের মৌখিকভাবে আলোচনা করে সরিয়ে দিতে পারে। না হয় এটা তাদের মারাত্মকভাবে ভোগাবে।”

তিনি আরও বলেন, “কৌশলগতভাবে উদ্বেগের বিষয় হলো—এই বিদ্রোহী প্রার্থীদের অনেকেই স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী। নিজ নিজ এলাকায় তাদের প্রতিষ্ঠিত সমর্থন-ভিত্তি রয়েছে। ফলে তারা আনুষ্ঠানিক প্রার্থীদের কাছ থেকে ভোট কেটে নিতে পারেন, এমনকি যেসব আসন আগে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ বলে মনে করা হচ্ছিল, সেখানেও অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে।”

বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্রোহী প্রার্থীদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকায় তৃণমূলে তাদের পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা তুলনামূলক বেশি। বিপরীতে, কিছু আনুষ্ঠানিক প্রার্থী জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত হলেও স্থানীয় নেতাকর্মী ও ভোটারদের কাছে ততটা পরিচিত নন। এর পাশাপাশি, নির্বাচনের আগে অন্যান্য দল থেকে আসা কিছু নেতা বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী হওয়ায় তৃণমূলে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

এখনও আশাবাদী হাইকমান্ড

বিদ্রোহীদের বিষয়ে গত ২১ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন বলেন, “বিএনপি একটি বড় দল। প্রতিটি আসনে একাধিক যোগ্য প্রার্থী আছেন। এ ক্ষেত্রে সবাইকে খুশি করা সম্ভব হয়নি। তাই অনেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। ইতোমধ্যে অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা আশা করি অনেকেই শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন।”

বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে আলাপকালে একই কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, “বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এরপরও তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। আশা করি শেষ পর্যন্ত অনেকেই মাঠে থাকবেন না।”