Image description
 

কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মিনাবাজার ৬নং ওয়ার্ড সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকা থেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করা ৬ কৃষক এখনো উদ্ধার হয়নি।

গত মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে কৃষি ক্ষেতে কাজ করতে যাওয়ার সময় পাহাড়ি অপহরণকারীরা তাদের জিম্মি করে নিয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান মো. শাহ জালাল।

তিনি বলেন, সকালে কৃষি কাজে যাওয়ার পথে পাহাড়ি অস্ত্রধারীরা কৃষকদের জিম্মি করে পাহাড়ের ভেতরের দিকে নিয়ে যায়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত অসহায় কৃষকদের উদ্ধারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা প্রয়োজন।

অপহৃত কৃষকরা হলেন, মো. জমির (৬২), পিতা:মৃত সুলতান ফকির, শফি আলম (১৩), পিতা: রবিউল আলম, মোহাম্মদ আলম ওরফে মাহাত আলম (১৮), পিতা: এজাহার হোসেন, জাহিদ হোসেন ওরফে মুন্না (৩০), পিতা: মৃত শামসুল আলম,এ চারজনের বাড়ি ঝিমংখালী, মিনাবাজার, টেকপাড়া, ৬ নং ওয়ার্ড এলাকায়।

এছাড়া, মোজাহের (৬০), পিতা: অজ্ঞাত এবং মোস্তাক (১২), পিতা: অজ্ঞাত — উভয়ের বাড়ি ঝিমংখালী আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে,চলমান নির্বাচনে প্রশাসনের ব্যস্থতার সুযোগে পাহাড়ি সশস্ত্র অপহরণ চক্র বেপরোয়া হয়ে ওঠেছে। নির্বাচনের পাশাপাশি পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের দিকে পশাসনের নজরদারি প্রয়োজন। না হয় অপহরণচক্রের হাতে পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত বাসিন্দারা একের পর অপহরণের শিকার হয়ে মুক্তিপণ দিতে হবে। অন্যথায় লাশ হয়ে ফিরবে অপহরণ চক্রের হাত থেকে। পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের দমনে প্রশাসনের কাছে জোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

এ বিষয়ে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই খোকন কান্তি রুদ্র জানান, হোয়াইক্যং মিনাবাজার আশ্রয়ণ কেন্দ্র এলাকার ৬ জন কৃষক পাহাড়ি এলাকায় কৃষিকাজ করতে গেলে পাহাড়ি ডাকাত দল তাদের তুলে নিয়ে যায় বলে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে ওইদিন সন্ধ্যায় অভিযোগ পাওয়া গেছে।

টেকনাফ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সন্ধ্যা নাগাদ জানতে পেরেছি। পুলিশের একটি টিম তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।

আমরা তাদের উদ্ধারের চেষ্টায় অভিযান চলমান রয়েছে।