ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২১ হাজার ৯৪৬টি অতি গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য ৭১ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।
এসব কেন্দ্রের প্রতিটিতে কমপক্ষে ছয়টি সিসি ক্যামেরা থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১১৯তম এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
দুপুরে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এসব তথ্য জানান।
আজাদ মজুমদার বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং গণভোট উপলক্ষে সারা দেশে প্রায় ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্র— এই সবগুলো কেন্দ্রেই সিসিটিভি স্থাপনের একটা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সরকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বা খোঁজখবর নিয়ে জেনেছে যে, ৬ হাজার ৫৫২টি কেন্দ্রে ইতোমধ্যেই সিসিটিভি আছে। মানে আগে থেকেই এই কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি আছে। বাকি কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি স্থাপন করা হবে।
এ জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ৭১ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই টাকাটা ব্যয় হবে মূলত ২১ হাজার ৯৪৬টি অতি গুরুত্বপূর্ণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন করার জন্য।
তিনি বলেন, প্রতিটা কেন্দ্রে কমপক্ষে ছয়টা সিসি ক্যামেরা থাকবে। এর বাইরে যে কেন্দ্রগুলো আছে, সেগুলোতে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে এবং তাদের আর্থিক বরাদ্দের মাধ্যমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। ইতোমধ্যেই এই কার্যক্রম সব জেলায় শুরু হয়ে গিয়েছে এবং অনেক জোরেসোরে চলছে। বেশ কয়েকটা জেলায় শতভাগের কাছাকাছি কেন্দ্রে ইতোমধ্যে সিসিটিভি বা সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কাজ হয়েছে গাজীপুর জেলায়। সরকারের পক্ষ থেকে এ জেলায় ৯৩৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৪৭টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।