ঢাকা ও ঢাকার বাইরের দোকানগুলোতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার হঠাৎ করেই উধাও হয়ে গেছে। যেসব বাসা বাড়িতে রান্নার কাজ সিলিন্ডার নির্ভর তারা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। দু’সপ্তাহ ধরে দেশজুড়ে এলপি গ্যাসে তীব্র সংকট চলছে। চলমান এই সংকট ঠিক কবে কাটবে তারও কোনো নিশ্চিয়তা নেই। ফলে ভোক্তাদের ভোগান্তি আরও কতো দীর্ঘ হবে তা কেউ বলতে পারছেন না। খোদ বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনও (বিইআরসি) জানে না এই সংকট থেকে কবে মুক্তি পাবেন ব্যবহারকারীরা। গত ডিসেম্বর মাসের একেবারে শেষ দিকে এসে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের সংকট দেখা দেয়। তখন সরকারের তরফ থেকে বলা হয় এলপি গ্যাসের কোনো সংকট নেই। পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে, সংকট কেটে যাবে। কিন্তু দু’সপ্তাহ পর সরকার এখন আর বলছে না যে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। সত্যি সত্যি পর্যাপ্ত মজুদ নেই, তা অংশিজনের সঙ্গে আলাপ করে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সংকট আসলে কতোটা? খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকার যে এলাকাগুলো সিলিন্ডার গ্যাস নির্ভর এইসব এলাকার দোকানগুলোতে গ্যাস সিলিন্ডার নেই। কোনো কোনো দোকান সপ্তাহের বেশি দিন ধরে বন্ধ রাখা হয়েছে। সিলিন্ডার সংকট সম্পর্কে বাস্তব ধারণা পাওয়া যায় রাজধানীর ডেমরা থানাধীন মাতুয়াইল বাদশা মিয়া রোডস্থ এক নম্বর গলির একটি বাড়ির কেয়ারটেকারের সঙ্গে কথা বলে। কবির হোসেন নামের ওই কেয়ারটেকার জানান, তার তত্ত্বাবধানে থাকা ভবনে ৪৫ কেজির একাধিক এলপি গ্যাস সিলিন্ডার একসঙ্গে আনা হয় এবং মিটারের মাধ্যমে ইউনিট প্রতি বিল ধার্য করে প্রতি ফ্ল্যাটে সরবরাহ করা হয়। এই বাসায় মজুদ থাকা সব সিলিন্ডারের গ্যাসে শেষ হয় ৯ জানুয়ারি সকাল ১০টায়। ওই দিন শুক্রবার হওয়ায় ফ্ল্যাটে বসবাসকারীদের বেশিভাগই দেরি করে ঘুম থেকে ওঠেন। যারা দেরি করে ঘুম থেকে ওঠেন তারা কেউই ঘরে সকালের নাস্তা তৈরি করতে পারেননি। কেয়ারটেকার গ্যাস সিলিন্ডারের খোঁজে পুরো মহল্লায় দৌড়ঝাপ করলেও কোথায়ও তিনি গ্যাস সিলিন্ডার পাননি। ফলে ছুটির দিনে ঘরে থাকায় সবাই ভোগান্তিতে পড়েন। কেউ কেউ বাইরে গিয়ে খাবার খেয়েছেন। কেউ গ্যাস আসবে সেই অপেক্ষায় শুকনো খাবার খেয়ে অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু ওই দিন কোনোভাবেই গ্যাস সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে পারেননি কবির হোসেন। পরদিন শনিবার, তারপর দিন রোববারও গ্যাস পাওয়া যায়নি। অবশেষে ১২ জানুয়ারি সোমবার মাত্র দু’টি সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে পেরেছেন তিনি। কবির হোসেন শীর্ষনিউজ ডটকমকে জানান, ৪৫ কেজির সিলিন্ডারের মূল্য ছিল চার হাজার টাকা, সেই সিলিন্ডার তিনি ক্রয় করেছেন আট হাজার টাকায়। পুরো এলাকার কোথায়ও ১২ কেজির সিলিন্ডার নেই বলেও জানান তিনি।
২০০৯ সালের পর ঢাকায় যেসব নতুন ভবন নির্মিত হয়েছে এই ভবনগুলোতে পাইপ লাইনে গ্যাস সংযোগ নেই বললেই চলে। গ্যাস সংকটের কারণে ২০০৯ সালের ২১ এপ্রিল থেকে সারা দেশে নতুন আবাসিক গ্যাস সংযোগ বন্ধের নির্দেশ দেয় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি বিভাগ। তবে ২০১৩ সালের শেষ দিকে নির্দেশনা অমান্য করে বেশ কিছু সংযোগ দেওয়া হয়েছিল। এরপর ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির ভোটার বিহীন নির্বাচনের পর জ্বালানি বিভাগ থেকে মৌখিকভাবে আবাসিকে গ্যাস সংযোগ না দিতে বলা হয়। এরপরও বিভিন্ন সময় তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি গ্যাস সংযোগ দিয়েছে। ২০১৮ সালের প্রথম দিকে তিতাসের বোর্ড সভা এমন সাত লাখ গ্রাহককে বৈধ করেছিল। পরবর্তীতে ২০২০ সালের ২১ মে আনুষ্ঠানিকভাবে তিতাসসহ সব ক’টি গ্যাস বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানকে আবাসিক, বাণিজ্যিক এবং সিএনজির নতুন সংযোগ না দিতে নির্দেশ দেয় জ্বালানি বিভাগ। কিন্তু এই নির্দেশ অমান্য করে ক্ষমতাসীন দলের লোকজনকে এবং অবৈধ অর্থের বিনিময়েও কিছু সংযোগ দেয় গ্যাস বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। যদিও ২০০৯ সালের পর ঢাকায় যেসব নতুন ভবন নির্মিত হয়েছে এর ৯৯ শতাংশই গ্যাস সংযোগ পায়নি। এসব বাসাবাড়িতে বসবাসকারীরা সিলিন্ডার গ্যাস নির্ভর। যখন সংকট দেখা দেয় তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
ভোক্তাদের অভিযোগ, প্রকৃত সংকটের চাইতে কয়েকগুণ বেশি সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কিছু অসৎ ব্যক্তির যোগসাজশে। গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করা দোকানিদের ভাষ্য হচ্ছে, এজেন্টদের কাছেই গ্যাস নেই। তবে বাড়তি দামে কোনো কোনো এজেন্ট গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করছে। পাড়া-মহল্লার দোকানিদের মধ্যে যাদের কাছে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে এরা দ্বিগুণ দামে বিক্রি করছে। এসবই কারসাজির খেলা। এলপিজির সংকট ও দাম বৃদ্ধিতে কারসাজির কথা স্বীকার করেছেন খোদ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি বলেন, বিইআরসি দাম কিছুটা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেও একদল অসাধু ব্যবসায়ী সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আগেভাগেই সিন্ডিকেট তৈরি করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছে।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক এবং জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ডক্টর এম শামসুল আলম মনে করেন এলপিজি সংকট সমাধানে সরকার শতভাগ ব্যর্থ। শীর্ষনিউজ ডটকমের এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, সরকারের দায়িত্বশীলরা বলছেন, কারসাজি হচ্ছে, তাহলে তারা কেন সেই কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের ধরছেন না। সরকার কি সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িতদের ধরছেন না, নাকি ধরার ইচ্ছা নেই, নাকি ধরতে পারছেন না। সরকারের কাছে এতোগুলো বাহিনী থাকতে সরকার কেন কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে না? বর্তমান সরকারের তো রাজনৈতিক কোনো দায় নেই। ভোটের রাজনীতি নেই, তাহলে তারা কেন সিন্ডিকেট ভাঙছেন না।
এই জ্বালানি বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, একটি ব্যবসায়ী গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরেই এলপিজি খাত নিজেদের দখলে রাখতে চায়। নিয়ন্ত্রণে মাত্র কয়েকটি কোম্পানি এই খাত দখলে নিতে চায়। পুরো বাজার তারা দখল করে নিজেরা নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। এই ব্যবসায়ী গোষ্ঠী বর্গিদের মতো এলপিজি দখলে রাখতে সংকট তৈরি করে। আর জনগণ অসহায় হয়ে পড়েন। রাষ্ট্র এই জনগণকে রক্ষা করতে পারেন না। এই ব্যবসায়ী গোষ্ঠী কী সরকারের চেয়েও বেশি শক্তিশালী? প্রশ্ন রাখেন এই জ্বালানি বিশেষজ্ঞ।
ডক্টর এম শামসুল আলম প্রশ্ন রেখে বলেন, সরকার কেন এলপিজি নিজেরা আমদানি করছে না। সরকার নিজেরা আমদানির ঘোষণা করলে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, দামও কমবে। ৬শ’ কোটি টাকা লাগে একটি এলপিজি স্টোরেজ তৈরি করতে। সরকার চাইলেই নিজেরা একাধিক স্টোরেজ তৈরি করে এলপিজি আমদানি করে তা সরবরাহ করতে পারে, কিন্তু কেন করছে না? তিনি আরও বলেন, যারা সরকারের বেঁধে দেওয়া মূল্যে এলপিজি সরবরাহ করছে না সরকার চাইলেই তাদের সনদ বাতিল করে দিতে পারে। প্রয়োজনে তাদের স্টোরেজ জব্দ করতে পারে। কিন্তু সরকার কেন তা করছে না? যারা দুষ্টুচক্র এবং সরকারি নির্দেশনা অমান্য করছে তাদের সনদ বাতিল করে নতুনদের সনদ দিতে পারে, সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে হলে নতুন ব্যবসায়ী তৈরি করতে হবে। যাতে এককভাবে দু’চারজন মাফিয়া হয়ে উঠতে না পারে। তিনি বলেন, সরকার হয়তো পারছে না, না হয় করছে না।
এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি সেলিম খান মনে করেন, সরকারের পক্ষ থেকে মজুদ আছে বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে চাহিদার চাইতে মজুদ ও সরবরাহ অনেক কম, আর একারণেই সংকট এতো প্রকট আকার ধারণ করেছে। শীর্ষনিউজ ডটমকের এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে সেলিম খান জানান, মধ্যপ্রাচ্যেও সংকটের কারণে এলপিজি বহনকারী ৩০টি জাহাজ আটকা পড়েছে। অন্যদিকে এলপি গ্যাসের ব্যবসা করে ২৩টি কোম্পানি। এই ২৩টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ৫টায় কোম্পানির গ্যাস সরবরাহ সচল রয়েছে। অন্যরা ঠিকমত ব্যবসা করছে না। ফলে দেশে ব্যবসায়ীদের কাছে সাড়ে পাঁচ কোটি গ্যাস সিলিন্ডার রয়েছে। এরমধ্যে সচল রয়েছে মাত্র এক কোটি ২৫ লাখ। অর্থাৎ সোয়া চার কোটি সিলিন্ডারই অলস পড়ে আছে। তিনি বলছেন, গ্রাহকের চাহিদার তুলনায় জোগান দিতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। তাছাড়া পাইপ লাইনে সরবরাহ করা গ্যাসের চাপ কম থাকায় সিলিন্ডারের ওপর চাপ বেড়েছে। এতে সংকট আরও বেড়েছে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এর সঙ্গে কথা হয় শীর্ষনিউজ ডটকমের এ প্রতিবেদকের। তিনি জানান, হঠাৎ করেই সংকট কাটবে না, সময় লাগবে। বিইআরসি’র চেয়ারম্যান বলেন, এলপি গ্যাস সংকট কাটাতে চাইলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) আমদানি করতে পারে। ব্যবসায়ী নেতা সেলিম খানের মতো বিইআরসি’র চেয়ারম্যান জালাল আহমেদও বলেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছে এলপিজি বহনকারী জাহাজ। প্রথম দফায় ১০টি এবং পরে আরও ১৯টি জাহাজ নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ে। এতে সংকট বৃদ্ধি পায়। ব্যবসায়ীদের কারসাজি বন্ধে ছোট ছোট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এবং সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাস সিলিন্ডার রিফিল করার সুযোগ সৃষ্টির কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে বিইআরসি’র চেয়ারম্যান বলেন, এমন পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। তিনি বলেন, এলপি গ্যাসের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত সবাই যথাযথভাবে ব্যবসা করতে পারছেন না। এর কারণ হচ্ছে, লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) জটিলতা ও মূলধন সংকট। তিনি বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগবে।
জানা গেছে, সংকট কাটাতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এ জন্য অনুমতি চেয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত এ সংস্থাটি। চিঠিতে বলা হয়েছে, এলপিজির পুরো বাজার বেসরকারি খাতনির্ভর হওয়ায় সংকটে সরকারের হস্তক্ষেপের সুযোগ সীমিত। চিঠিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের এলপিজি বাজারে সরবরাহ ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। তাতে কোথাও কোথাও নির্ধারিত দামে এলপিজি সিলিন্ডারই পাওয়া যাচ্ছে না। বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে তাৎক্ষণিকভাবে বাজার স্থিতিশীল করার সরকারি কোনো হাতিয়ার নেই। এ বাস্তবতায় নীতিগত অনুমোদন পেলে বিপিসি জিটুজি ভিত্তিতে এলপিজি আমদানি করে বেসরকারি অপারেটরদের মাধ্যমে দ্রুত বাজারে সরবরাহ করবে। ১০ জানুয়ারি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবকে চিঠি দেন বিপিসির চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসান।
এদিকে, এলপিজি আমদানি সুবিধার জন্য উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকও। ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব ব্যাংকে পাঠিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করতে বড় ধরনের নীতিগত সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এলপিজি আমদানিকে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে গণ্য করা হবে। এর ফলে আমদানিকারকরা সর্বোচ্চ ২৭০ দিন মেয়াদে বাকিতে মূল্য পরিশোধের সুবিধা পাবেন। সার্কুলারে বলা হয়েছে, এলপিজি সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি করা হয় এবং পরে দেশে সিলিন্ডারে ভরে বাজারজাত করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ ও বিতরণে তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় এলপিজিকে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আমদানিতে বাড়তি সময়ের ঋণ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত ২৯ ডিসেম্বর শিল্প কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত বাকিতে মূল্য পরিশোধের সুযোগ দিয়ে সার্কুলার জারি করা হয়। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এলপিজি আমদানিকারকরাও একই সুবিধার আওতায় এলেন।
শীর্ষনিউজ