Image description

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলিতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে হঠাৎ করেই কাঁচামরিচের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে। খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি কাঁচামরিচের দাম বেড়েছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্য আয়ের সাধারণ ভোক্তারা।

হিলির বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও যেখানে কেজিপ্রতি কাঁচামরিচ বিক্রি হতো ৪০ থেকে ৫০ টাকায়, সেখানে বর্তমানে একই কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ক্রেতারা। তাদের অভিযোগ নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যের দাম এভাবে বেড়ে যাওয়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিশেষ করে স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য বাজার করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহৃত কাঁচামরিচের দাম দ্বিগুণ হওয়ায় অনেকেই প্রয়োজনের তুলনায় কম কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। কেউ কেউ আবার বিকল্প হিসেবে শুকনো মরিচ ব্যবহারের কথা ভাবছেন।

 

হিলি বাজারে কাঁচামরিচ ক্রেতারা কালবেলাকে বলেন, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সপ্তাহের ব্যবধানে দাম দ্বিগুণ হয়ে যাওয়া মোটেও স্বাভাবিক নয়। এক সপ্তাহ আগেও কাঁচামরিচ ৪০ থেকে ৫০ টাকায় কিনতাম। এখন সেই একই মরিচ কিনতে হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। গরিব মানুষের জন্য বাজার করা এখন অনেক কষ্ট হয়ে গেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে এভাবে দাম বাড়া কোনোভাবেই স্বাভাবিক না। বাজার মনিটরিং আরও জোরদার করা দরকার।

 
 

হিলি বাজারে কাঁচামরিচ বিক্রেতারা কালবেলাকে বলেন, ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারণে কাঁচামরিচ গাছের ফুল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। আমরা এসব কাঁচামরিচ পাঁচবিবি, বিরামপুরসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে কিনে আনি। পাইকারি প্রতি কেজি দেশি মরিচ ক্রয় করছি ৮৫ টাকা ও ৯৫ টাকা দরে, তা খুচরা ৯০ থেকে ১০০ বিক্রি করছি। আবহাওয়া ভালো হলে উৎপাদন বাড়বে তখন দাম আবার কমে আসবে।

 

হাকিমপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা কালবেলাকে বলেন, বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছে। কোনো ব্যবসায়ী যদি অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।