Image description

রাজউকের বরাদ্দ বিধিমালার ১৩/এ ধারায় যাদের প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এরা আবেদনে উল্লেখ করেছেন যে, ঢাকা শহরে বসবাসের কোনো প্লট বা ফ্ল্যাট নেই। যদিও শুধুমাত্র এই যুক্তিতে প্লট বরাদ্দের কোনো সুযোগ নেই তারপরও নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে গণহারে প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। বসবাসের কোনো প্লট/ফ্ল্যাট নেই- এই যুক্তিতে প্লট বরাদ্দ নিয়েই প্লট প্রাপকরা সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি বা অন্যের নিকট হস্তান্তর করেছেন। এতে প্রমাণিত হয় যে, প্রতিটি প্লটের বিপরীতেই বড় অংকের নগদ অর্থের লেনদেন হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মন্ত্রণালয় এবং রাজউকের তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “প্লট বরাদ্দের পর পরই তারা আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য প্লটের মালিকানা হস্তান্তর করেছেন। এ অবৈধ এবং অনৈতিক প্রক্রিয়ার সাথে তৎকালীন সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে রাজউকের সংশ্লিষ্টতা লক্ষণীয়।” হাইকোর্টের নির্দেশে সাবেক গ্রেড-১ ভুক্ত কর্মকর্তা মহ: মনিরুজ্জামান- এর নেতৃত্বে গত ২৯ মে এই তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। কমিটি ইতিমধ্যে ৩০০টি প্লটের অনিয়ম উদঘাটন করে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয় এবং হাইকোর্টে দাখিল করেছে।

কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, “মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য এবং বিচারপতি ব্যতীত অন্যান্য ক্যাটাগরিতে যাদেরকে [১৩/এ (১) (সি)] ধারায় সংরক্ষিত কোটায় প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তারা একটি বিশেষ এলাকার অধিবাসী, বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী (দেশি ও প্রবাসী), বিশেষ শ্রেণির সাংবাদিক, বিশেষ শ্রেণির সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াঙ্গনের লোকজন, বিশেষ সুবিধাভোগী সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা- কর্মচারী, তৎকালীন ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের আত্মীয়-স্বজন এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, গণভবন ও বঙ্গভবন-এ তৎকালীন কর্মরত (জানুয়ারি, ২০০৯ হতে জুলাই, ২০২৪ পর্যন্ত) কর্মকর্তা-কর্মচারী। প্রকৃতপক্ষে যাদেরকে [১৩/এ (১) (সি)] বিধির আওতায় প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে বর্ণিত বিধিতে উল্লিখিত যোগ্যতা বিবেচনা করা হয়নি। এসব বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় হতে যাদের অনুকূলে প্লট বরাদ্দের অনুশাসন/ সুপারিশ করা হয়েছে তাদের কোন যোগ্যতার ভিত্তিতে প্লট বরাদ্দের সুপারিশ/ অনুশাসন প্রদান করা হয়েছে তা উল্লেখ করা হয়নি।”

রাজউকের ভূমি বরাদ্দ বিধিমালার ১৩/এ ধারায় প্লট বরাদ্দ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে একমাত্র যোগ্যতা হলো, প্রজাতন্ত্রের কাজে অথবা প্রজাতন্ত্রের যে কোনো পেশায় ‘অসাধারণ অবদান’ থাকতে হবে। তবে অবশ্যই প্লট বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তির সময় আবেদন করে প্লট পাননি, এ ধরনের ব্যক্তি হতে হবে। কিন্তু এসব বরাদ্দ প্রাপকের জাতীয় ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বা অসাধারণ কোনো অবদান নেই, এমনকি এদের অনেকে প্লট বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তির সময় আবেদনও করেননি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের ২০০৯-২০১৪ সময়ের গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান খানের হাত দিয়ে এসব অনিয়মের সূত্রপাত। আব্দুল মান্নান খানের আইন পেশায় চেম্বারের জুনিয়র ছিলেন ইকবাল পারভেজ। ২০০৯ সালে আব্দুল মান্নান গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর ইকবাল পারভেজকে নিয়মবহির্ভূতভাবে রাজউকের সহকারী পরিচালক (আইন) পদে নিয়োগ দেন। কিন্তু মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি হিসেবে রেখে দেন। প্রতিমন্ত্রী মান্নানের অনিয়ম-অপকর্মে প্রধান সহযোগী ছিলেন। প্লট বরাদ্দে অনিয়মসহ এমন কোনো অপকর্ম নেই যা এরা করেননি।

১৩/এ ধারার সংরক্ষিত কোটায় বরাদ্দ পেতে হলে জাতীয় পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য বা অসাধারণ অবদান থাকতে হবে। কিন্তু তদন্তে দেখা যাচ্ছে, এসব বরাদ্দের ক্ষেত্রে বিধিমালা মোটেই অনুসরণ করা হয়নি। মূলতঃ গোপন লেনদেন ও সমঝোতার ভিত্তিতে এ বরাদ্দগুলো দেওয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই বরাদ্দ প্রাপকরা সঙ্গে সঙ্গে নগদ অর্থে প্লট বিক্রি বা হস্তান্তর করেছেন। এসব অর্থ ভাগবাটোয়ারা হয়েছে। আব্দুল মান্নান খানের পরের মন্ত্রীরাও একই অপকর্মের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন।

মহ: মনিরুজ্জামান- এর নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটির দাখিল করা প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, ৩০০টি প্লটের মধ্যে ১১০টি প্লট বরাদ্দের পর পরই বিক্রি করে দিয়েছেন বরাদ্দ প্রাপকরা। এই প্লটগুলোর বরাদ্দ প্রাপকদের মধ্যে রয়েছেন- আফরোজা জামান। তিনি একজন গৃহিণী ও সাবেক ডিএমপি কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান মিয়ার স্ত্রী। রাজউকের ১৩/২০১৮তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৭.৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। বাংলাদেশ কৃষকলীগের দপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান বিপ্লবকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটটির মালিক অভিনেতা আশিকুল ইসলাম খান (তুষার খান)। কাজী ফজলুল করিম রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (প্রেষণে) একজন নির্বাহী প্রকৌশলী। ০৭/২০১০ তম বোর্ড সভায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমানে প্লটটির মালিক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন মোল্লা। ড. মুনাওয়ার মাহমুদ একজন প্রবাসী প্রকৌশলী। তিনি সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর জামাতা। পরবর্তীতে আম-মোক্তারসূত্রে প্লটটি তৌফিক-ই-ইলাহী আব্দুল কাদের আজাদ (সাবেক এমপি ও চেয়ারম্যান, হামীম গ্রুপ)-এর নিকট বিক্রয় করেন। আলমগীর গং (৮ জন), সকলেই অতি সাধারণ নামেমাত্র ব্যবসায়ী। ১১/২০১৩ তম বোর্ড সভায় তাদের নামে যৌথভাবে ৫ কাঠা প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরে হস্তান্তরের মাধ্যমে প্রথমে পার্থ প্রতীম দাস এবং পরে ক্রয়সূত্রে বিজন কুমার রায় প্লটটির মালিক হয়। আবু জোনায়েদ বিপ্লব (১০ জন), সকলে অতি সাধারণ নামেমাত্র ব্যবসায়ী। ১০/২০১৩ তম বোর্ড সভায় তাদের নামে ৫ কাঠা সংরক্ষিত কোটার প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমানে প্লটটির মালিক এ এম আব্দুল্লাহ আকবর। নূহ-উল-আলম লেনিন মুক্তিযোদ্ধা ও ব্যবসায়ী। ০৮/২০১৫ তম বোর্ড সভায় তাকে ১০ কাঠা সংরক্ষিত কোটার প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু জাতীয় ক্ষেত্রে কোন অবদানের জন্য তাকে এই প্লটটি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে একথা উল্লেখ করা হয়নি। পরবর্তীতে তিনিও প্লটটি বিক্রি করে দেন। মো. খোরশেদ আলম, জামিনুর রহমান, মো. আলী হোসেন, মো. সারোয়ার হোসেন (স্বপন) ও আলাউদ্দিন বিপ্লব- সকলেই বেসরকারি চাকরিজীবী। ০২/২০১২ তম বোর্ড সভায় তাদের ১০ কাঠা সংরক্ষিত কোটার প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমানে প্লটটির মালিক ফকির বদরুজ্জামান।

ডা. দিপক কুমার দাস, পিজি হাসপাতালের চিকিৎসক। ০৭/২০১১ তম বোর্ড সভায় তাকে ৫ কাঠা সংরক্ষিত কোটার প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমানে মালিক লাবিবা জামান। এড. মো. রফিকুল আলম (রতন), আইনজীবী। ১২/২০১১তম বোর্ড সভায় তাকে ৫ কাঠার প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। মো. আরিফুর রহমান, সাধারণ ব্যবসায়ী। তাকে ৫ কাঠা সংরক্ষিত কোটার প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। আরেক সাধারণ ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ৩ কাঠা সংরক্ষিত কোটার প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। মীর গোলাম ফারুক, কালকিনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা আওয়ামী লীগ। ১২/২০১৩ তম বোর্ড সভায় তাকে ৩ কাঠার প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমানে হস্তান্তরসূত্রে প্লটের মালিক তৃপ্তি বড়ুয়া। রনজন কুমার সাহা, ব্যবসায়ী। ০২/২০১৩তম বোর্ড সভায় তাকে ৩ কাঠা সংরক্ষিত কোটার প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমানে প্লটের মালিক পাপড়ি সাহা ও জবা রানী রায়। নাজমা পারভীন একজন গৃহিণী। তাকে ৫ কাঠার প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। মরিয়ম মোস্তাফা শিমু, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। ০৫/২০১৩তম বোর্ড সভায় তাকে ৩ কাঠার প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমানে হস্তান্তরসূত্রে প্লটের মালিক আনোয়ার শাহাদাত রিয়াজ। শাইলা সাবরীন, বেসরকারি চাকরী। ০২/২০১২তম বোর্ড সভায় তাকে ৫ কাঠা সংরক্ষিত কোটার প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। মো. আমির হোসেন, ব্যবসায়ী। ০৬/২০১১তম বোর্ড সভায় তাকে ৫ কাঠা সংরক্ষিত কোটায় প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক এনায়েত উল্যাহ (ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও ঊঘঅ পরিবহনের মালিক)। মঞ্জুয়ারা আক্তার, গৃহিণী। ০৯/২০১১তম বোর্ড সভায় তার প্লট ৫ কাঠা থেকে সংরক্ষিত কোটায় ৭.৫ কাঠায় রূপান্তর হয়, বাস্তবে ৮ কাঠা ৮ ছটাক ১৮ বর্গফুট বরাদ্দ দেওয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে মালিক সৈয়দ রুহুল হক গং (২ জন)। হোসনে আরা বেগম, ব্যবসায়ী। ০৬/২০১১তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় ৩ কাঠার প্লট বরাদ্দ হয়, যা ১২/২০১১ সভায় ৫ কাঠায় বৃদ্ধি পায়। হস্তান্তরের পর বর্তমান মালিক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ (ঊঘঅ পরিবহনের মালিক)।

মো. তাজুল ইসলাম, বেসরকারি চাকুরিজীবী। ০৮/২০১১তম বোর্ড সভায় তাকে ৩ কাঠার পরিবর্তে ৫ কাঠার প্লট বরাদ্দ হয়। হস্তান্তরসূত্রে প্লটটির বর্তমান মালিক জেবুন নাহার। মো. শুকুর আলী, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাই। ০৭/২০১১তম বোর্ড সভায় ৫ কাঠা সংরক্ষিত কোটায় প্লট বরাদ্দ হয়। প্লটটির বর্তমান মালিক শাকিলা জামান। মাহমুদা বেগম, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ। ০৭/২০২১ বোর্ড সভায় তাকে ৫ কাঠার প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। মো. সারোয়ার হোসেনকে অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব এটর্নী দেওয়া হয়েছে। মো. জহরুল ইসলাম, ব্যবসায়ী। ০২/২০১৩তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৩ কাঠা প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমানে প্লটের মালিক মুহম্মদ শফিকুল আযম। এস এম মোর্তুজা রাশেদ, ব্যবসায়ী। ০২/২০১৩তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৩ কাঠা প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্লটটির বর্তমান মালিক কাজী সাইফুল্লাহ্ জাভেদ। মো. শফিকুল আজম খান, বেসরকারি চাকরি। ১২/২০১২তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৩ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রথমে মিসেস আনিসা আক্তার গং (৪ জন)-এর নিকট হস্তান্তরিত হয়, পরে প্লটটির মালিক হন সাহনাজ সুলতানা। ছাবিকুন্নাহার, বেসরকারী চাকুরিজীবী। ০২/২০১২তম বোর্ড সভায় ৩ কাঠার পরিবর্তে ৫ কাঠার প্লট বরাদ্দ হয়। বরাদ্দ গৃহীতা তার ভাই লিয়াকত আলী শিকদারকে হেবা দলিলমূলে প্লটটি হস্তান্তর করেছেন। আব্দুল ওয়াহিদ, ব্যবসায়ী। ০৭/২০১৩তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটটির মালিক মিসেস নুরুন নাহার। ডা. এ কিউ এম সিরাজুল ইসলাম, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক (অব), চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ। ০১/২০১৩তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়।

হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটটির মালিক রাফি জাকারিয়া ও তাসনিম জাকারিয়া। সৈয়দ এ. কে.এম. এমদাদুল বারী, প্রশাসক, জেলা পরিষদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, জেলা আওয়ামী লীগ। ০২/২০১৩তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমানে প্লটটির মালিক রেদওয়ানা আফরোজ।

সৈয়দ মো. মাহবুবুর রহমান, সরকারি চাকরিজীবী (কর কমিশনার, কেন্দ্রীয় কর জরিপ অঞ্চল, ঢাকা)। তাকে ৫ কাঠার প্লট বরাদ্দ হয়। ২০/০৯/২০২২ তারিখে প্লট হস্তান্তরিত হয়। শেখ সাব্বির আহমেদ, সহযোগী অধ্যাপক, ঢাকা কলেজ। ১০/২০১৩তম বোর্ড সভায় তাকে ৩ কাঠার পরিবর্তে ০৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক হাজী মোহাম্মদ আলী। আবুল কালাম বেপারী গং (৭ জন), ক্ষুদ্র ব্যবসা ও রাজনীতি। ১২/২০১৩তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাদের ৫ কাঠা প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্লটটি ২ বার হস্তান্তর হয়েছে। প্লটটির বর্তমান মালিক মো. শাহ আলম। মো. শরাফত হোসেন লাবলু, সাবেক সভাপতি, ছাত্রলীগ ও যুবলীগ, কাশিয়ানী থানা, গোপালগঞ্জ। ১২/২০১৩তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠার প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমান প্লটের মালিক মো. সাজেদুল ইসলাম। ওয়াহীদ আহম্মেদ, ব্যবসায়ী। ১০/২০১৩তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমানে প্লটের মালিক মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন মজুমদার। এইচ. এম. বদিউজ্জামান, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি। ১১/২০১৩তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্লটটি বর্তমানে ইউনাইটে কমার্শিয়াল ব্যাংক লিঃ, সাত মসজিদ রোড শাখা, ঢাকার নিকট বন্ধক রয়েছে। ১) মো. শফিকুল ইসলাম, ২) মিজ কহিনুর খানম, ৩) মো. আরিফুল আলম (রতন), ১) প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের সাঁট- লিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর, ২) প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (চঃ দা), ৩) সরকারী আবাসন পরিদপ্তরের মশালচী, প্রেষণে এম.এল.এস.এস. মন্ত্রীর দপ্তর, গৃগম। ১২/২০১৩ তম বোর্ড সভায় তাদের ৩ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমানে মালিক মো. মোবারক হোসাইন মাসুদ।

মো. সাইফুর রহমান, ব্যবসায়ী। ১৩/২০১৮তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় ৩ কাঠা প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে প্লটটির বর্তমান মালিক ওমর গণি চৌধুরী। আবু সুফিয়ান, ব্যবসায়ী। ১০/২০১৩ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমান এ প্লটের মালিক মুহাম্মদ রেজাউল করিম। খালিদ হাসান, সাবেক সভাপতি, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ। ১২/২০১৩তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক (১) মো. আহসান হাবিব ও (২) আয়েশা সিদ্দিকা। মাশফিক আহমদ চৌধুরী, ব্যবসায়ী। ০৭/২০১৩তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমানে প্লটের মালিক চৌধুরী মো. জিয়াউল কবির। মো. খলিলুর রহমান সরদার, বেসরকারি চাকুরী (মসজিদের ইমাম)। ০৭/২০১১তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৩ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। ১ম বার হস্তান্তরসূত্রে প্লটের মালিক কাজী গোলাম মোবিন এবং ২য় বার হস্তান্তরসূত্রে মালিক জোহরা বেগম। ১ ) মো. আতাউল্লাহ ২) হাজী মো. সিরাজুল ইসলাম রাডো ১) সাংগঠনিক সম্পাদক, কোতয়ালী থানা আওয়ামীলীগ, ২) সভাপতি, ৬৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ। ০৪/২০১৩তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাদেরকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে প্লটের বর্তমান মালিক মো. নোয়াব খান মো. ফজলুর রহমান (৭ জন), সকলেই নামেমাত্র ব্যবসায়ী। ১০/২০১৩ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাদেরকে ৫ কাঠার প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্লটের বর্তমান মালিক মালিক মাহমুদুল হক। মো. দেওয়ান মোশারফ (৪ জন), সকলেই ব্যবসায়ী। ১২/২০১৩ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাদেরকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। পরবর্তীতে হস্তান্তরসূত্রে প্লটের মালিক মিসেস কাশমিরি কামাল। মো. রেজাউর রহমান (রেজা) এবং দেওয়ান আওলাদ হোসেন, উভয়েই ব্যবসায়ী। ১১/২০১৩ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন। ১) আবুল কালাম আজাদ দারু, ২) মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, ৩) এস এম খুরশিদা, ১) কৃষি, ২) ব্যবসায়ী এবং ৩) গৃহিনী। ১০/২০১৩তম বোর্ড সভায় ৫ (পাঁচ) জনকে যৌথভাবে সংরক্ষিত কোটায় ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক ড. আবুল কালাম। মো. মিজানুর রহমান এবং সৈয়দ আহমেদ মোস্তফা (বীর মুক্তিযোদ্ধা), উভয়েই ব্যবসায়ী। ১১/২০১৩তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় যৌথভাবে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হেবামূলে বর্তমানে প্লটটির অর্ধেক অংশের মালিক সৈয়দ আব্দুস সামাদ। আবুল কালাম, মো. জহির (জহ) এবং মো. আলমগীর সকলেই ব্যবসায়ী। ০৩/২০১৩তম বোর্ড সভায় ৪ জনের নামে ৩ কাঠার প্লট বরাদ্দ হয়। পরে ০৮/২০১৩ বোর্ড সভায় ১ জন বাদ দিয়ে ৩ জনের নামে ৩ কাঠার প্লট বরাদ্দ হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক মো. হাবিবুর রহমান। মো শাহেদ হোসেন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী (যুক্তরাজ্য প্রবাসী)। ০২/২০১৩তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। বর্তমানে প্লটের মালিক মোতাহার হোসেন।

সাইফুন নাহার স্বপ্না, গৃহিণী। ১০/২০১৩তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। পরবর্তীতে তিনি প্লটটি বিক্রি করে দেন। মো. হুমায়ুন কবির গং- (৪ জন), সকলেই ব্যবসায়ী। ১১/২০১৩তম বোর্ড সভায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক জি এম এহসানুল হক। মুহাম্মদ ইদ্রিস, চাকরী, সিটি জেনারেল ইন্সুরেন্স কোং লিঃ। ০৪/২০১২তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক এস এম ফারজানা হাসান। মো. সোয়েব উদ্দিন, ব্যবসায়ী। ০৬/২০১৩ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৩ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়।

হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক মো. জাকির হোসেন পাঠান ও রোকসানা বেগম। মো. ফজলুল হক, ব্যবসায়ী এবং প্রবাসী জার্মানীর নাগরিক। ০২/২০১৩ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৭.৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। ১ম বার হস্তান্তরসূত্রে প্লটটির মালিক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। পরবর্তীতে হেবামূলে প্লটের মালিক তাসমিমা বিনতে জসীম বিথী। মো. শাহীন গং (৭ জন), ব্যবসা ও কৃষি। ১২/২০১৩ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। ১ম বার হস্তান্তরসূত্রে প্লটের মালিক মো. শহিদুর রহমান। ২য় বার হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক মো. রাশেদুল ইসলাম। মোছা. মালেকা বেগম, বীরশ্রেষ্ঠ মো. মোস্তফা কামাল এর মাতা। ০৭/২০১১ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে প্রথমে প্লটের মালিক হন মো. ফজলুর রহমান। হেবামূলে হস্তান্তরিত হয়ে বর্তমানে প্লটের মালিক জেসমিন আরজু। রাজীব শরীফ গং (৮ জন), সকলেই ব্যবসায়ী। ০৫/২০১৩ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাদেরকে ৭.৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক আফসানা ওয়াহাব। মো. আশিফুল করিম গং (৯ জন একত্রে), সকলেই পেশা ব্যবসায়ী। ১০/২০১৩ তম বোর্ড সভায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে মালিক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী। এ. কে. এম. এহছানুল হায়দার চৌধুরী, ব্যবসায়ী। ১১/২০১১ তম বোর্ড সভায় আয়তন পরিবর্তন করে ৩ কাঠা হতে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক আলহাজ্ব মাহবুবুল আলম। মো. মিজানুর রহমান মিজান, ব্যবসায়ী। ০২/২০১৩ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক মো. মাসুদ রানা। মো. আজীম-উল- হক, বেসরকারি চাকরি। ১০/২০১৩ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। ১ম বার হস্তান্তরসূত্রে প্লটের মালিক মো. গিয়াস উদ্দিন মোল্লা। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক মহিউদ্দিন মাহমুদ ও নাসিমা খানম। মোসাম্মৎ শাহিদা, গৃহিণী। ১৭/২০০৯ তম বিশেষ সভায় তাকে ৭.৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। প্রকৃতপক্ষে বরাদ্দ গ্রহীতাকে ৮ কাঠা ৫ ছটাক ১৯ বর্গফুট আয়তনের প্লট বুঝিয়ে দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক মো. হাসনাইন ও নুসরাত বায়েজিদ এশা।

মো. রুহুল আমিন, ব্যবসায়ী এবং মো. মজিদ খান, প্রবাসী। ০৬/২০১৩ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাদের ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। বর্তমানে মালিক মঞ্জুর ফারুক চৌধুরী। আবদুচ ছালাম, চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। ১২/২০১৩ তম বোর্ড সভায় তাকে ইতোপূর্বে বরাদ্দকৃত ৫ কাঠার পরিবর্তে খালি প্রাপ্তি সাপেক্ষে ৭.৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়।

হস্তান্তরসূত্রে বর্তমান প্লটটির মালিক সৈয়দ নুরুল ইসলাম গং (৬ জন)। মো. শফিক উল্লাহ, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা এবং মুক্তিযোদ্ধা। শুধু এই পরিচয়ে ১৩/এ ধারার সংরক্ষিত কোটায় প্লট পাওয়ার সুযোগ নেই। তারপরও ১২/২০১১ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিকড. মো. ফরহাদ মাজহারুল হক, কানিজ ফাতেমা মুর্শেদী এবং ইসরাত ফাতেমা। মো. সিরাজুল হক, আইনজীবি ও অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক। ১২/২০১১তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম।

মো. গাউসুল আলম, অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক। ১২/২০১১ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। ১ম বার হস্তান্তরসূত্রে প্লটের মালিক এ এম আমিরুল ইসলাম ভূইয়া এবং ২য় বার হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক আরিফুল হাসান মজুমদার ও ইসরাত জাহান মিথিন। এম এ আলমগীর, চলচ্চিত্র অভিনেতা। ১২/২০১১ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক সফিকুর রহমান। আলী নুর কাদেরী ওরফে কাদেরী কিবরিয়া, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। ০৯/২০১৩ তম বোর্ড সভায় তাকে সংরক্ষিত কোটায় ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক ফারহানা আহমেদ। আবুল কাশেম মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, বেসরকারি চাকরি। ০৫/২০১১ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৩ কাঠার প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। মো. ইকবাল হোসেন, কৃষি (বিবিধ), কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য। ০৫/২০১১ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক আরজিনা নাসরিন। গোলাম মঞ্জুরুল আলম, ব্যবসায়ী ও যুগ্মসচিব। বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় ভূতাপেক্ষ অনুমোদন নেয়ার শর্তে প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। প্লটটি হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে মালিক এনআইইটি লিঃ এর পক্ষে চেয়ারম্যান, মো. আব্দুল আলীম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, আব্দুল আজিজ। মোহাম্মদ আল (অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক)। ১২/২০১১ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে প্লটটির বর্তমান মালিক মিসেস রেহানা রহমান। হারুনুর রশীদ, চাকরিজীবী, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিঃ। ০৪/২০১২ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। আহমেদ নাজমা নাহিদ, গৃহিণী। ০৮/২০১১ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। ২য় বারের মতো হস্তান্তসূত্রে প্লটটির বর্তমান মালিক মীর মো. আব্দুল মালেক। মোহাম্মদ আলমাছ উদ্দিন, ব্যবসায়ী। ০৫/২০১২ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। ১ম বার হস্তান্তরসূত্রে প্লটের মালিক হেলাল ইসলাম খান, ২য় বার হস্তান্তরসূত্রে প্লটের মালিক তানভীর ইসলাম এবং ৩য় বার হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক খন্দকার আব্দুল্যাহেল কাফি। কালী পদ সরকার, সরকারি চাকরি (অবসরপ্রাপ্ত), অতিরিক্ত ডিআইজি, বাংলাদেশ পুলিশ। ০৭/২০১১ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৩ কাঠা প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক আনছার আলী। শামীমা ইসলাম, গৃহিণী। ০২/২০১৩ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৩ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক আনার কলি ঝুমুর। সুধীর কুমার সাহা, ব্যবসায়ী। ০৪/২০১৩ তম বোর্ড সভায় সংরক্ষিত কোটায় তাকে ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। হস্তান্তরসূত্রে বর্তমানে প্লটের মালিক সোনিয়া হাওলাদার। প্লটটি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিঃ, গুলশান শাখার নিকট বন্ধক রাখা হয়েছে।
শীর্ষনিউজ