Image description
নির্বাচনি দামামার মধ্যে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সন্ত্রাসীরা, প্রায়ই খুনাখুনি

চট্টগ্রামে নির্বাচনি দামামা শুরু হওয়ার আগেই শুরু হয়েছে অস্ত্রের ঝনঝনানি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হওয়ার আগেই রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকা হয়ে উঠেছে উত্তপ্ত। বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক নৃশংস খুনের ঘটনা পরিস্থিতির ভয়াবহতা ফুটিয়ে তুলছে। অবৈধ অস্ত্রধারীদের তালিকা করে গ্রেপ্তার অভিযান চলমান থাকলেও অস্ত্রধারীদের একটি বড় অংশ এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। যা নির্বাচনি পরিবেশকে করে তুলছে ঝুঁকিপূর্ণ।

জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর চট্টগ্রামে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে উঠে বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী গ্রুপ। আধিপত্য বিস্তার, ব্যবসায়িক স্বার্থ ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে সংঘটিত হয়েছে শতাধিক খুনের ঘটনা। প্রকাশ্যে গুলি কিংবা অস্ত্র হাতে সন্ত্রাসীদের দাপট-মহড়া নগরী ও জেলায় সাধারণ চিত্রে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক কারণেই যে শুধু এসব ঘটনা ঘটছে তা নয়। মাটি কাটা নিয়ে, বালুমহল নিয়ে, আধিপত্য নিয়েও এসব ঘটনা ঘটছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বেড়েছে অস্ত্রের মহড়া এবং সংঘাত। ঘটছে খুনের ঘটনাও। 

শনিবার রাতে ফটিকছড়ি উপজেলায় গুলিতে নিহত হয়েছেন জামাল উদ্দিন নামে এক জামায়াত কর্মী। এ ঘটনায় আরেকজন গুলিবিদ্ধ হন। একই দিন হাটহাজারীতে খুন হয়েছেন মাহবুব আলম নামে এক শ্রমিক নেতা। ৯ জানুয়ারি সাতকানিয়া আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারীর ওপর গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে। ৫ জানুয়ারি রাতে রাউজান উপজেলায় গুলি করে হত্যা করা হয় জানে আলম নামে এক যুবদল নেতাকে। ২ জানুয়ারি মুখোশধারীদের হামলায় আহত হন আবুল বশর চৌধুরী নামে এক বিএনপি নেতা। চট্টগ্রামের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর দাবি-২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে চট্টগ্রাম নগরী এবং জেলায় অবৈধ অস্ত্র এবং থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। যা বর্তমানে চলমান রয়েছে। গত এক বছরের বেশি সময়ে চট্টগ্রাম নগরীতে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে ৮০০টির কিছু বেশি। জেলায় উদ্ধার হয়েছে ৬০০টির মতো অস্ত্র। র‌্যাব উদ্ধার করেছে ২২০টির মতো অস্ত্র। সবমিলিয়ে চট্টগ্রামের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো উদ্ধার করেছে ১ হাজার ৬২০টির মতো অস্ত্র। এ ছাড়া ২০২৪ সালে জুলাই গণ অভ্যুত্থানে সিএমপি ও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের ১ হাজারের মতো আগ্নেয়াস্ত্র লুট হয়। লুট হওয়া অস্ত্রের মধ্যে ৭৮৫টির মতো আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। বাকি অস্ত্রগুলো এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক আকতার কবীর চৌধুরী বলেন, নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু হওয়ার আগেই রাজনৈতিক সহিংসতা শুরু হয়েছে। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার তত বাড়বে। নির্বাচনে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ঠেকাতে তা উদ্ধারে বড় ধরনের অভিযান শুরু করা জরুরি। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের মুখপাত্র রাসেল বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্রধারীদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তালিকা ধরে গ্রেপ্তার অভিযানও শুরু করেছে। এরই মধ্যে অনেক অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার হয়েছে। বাকিদেরও দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারের আওতায় আনা হবে।

চট্টগ্রামে নির্বাচনি দামামা শুরু হওয়ার আগেই শুরু হয়েছে অস্ত্রের ঝনঝনানি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হওয়ার আগেই রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকা হয়ে উঠেছে উত্তপ্ত। বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক নৃশংস খুনের ঘটনা পরিস্থিতির ভয়াবহতা ফুটিয়ে তুলছে। অবৈধ অস্ত্রধারীদের তালিকা করে গ্রেপ্তার অভিযান চলমান থাকলেও অস্ত্রধারীদের একটি বড় অংশ এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। যা নির্বাচনি পরিবেশকে করে তুলছে ঝুঁকিপূর্ণ। জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর চট্টগ্রামে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে উঠে বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী গ্রুপ। আধিপত্য বিস্তার, ব্যবসায়িক স্বার্থ ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে সংঘটিত হয়েছে শতাধিক খুনের ঘটনা। প্রকাশ্যে গুলি কিংবা অস্ত্র হাতে সন্ত্রাসীদের দাপট-মহড়া নগরী ও জেলায় সাধারণ চিত্রে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক কারণেই যে শুধু এসব ঘটনা ঘটছে তা নয়। মাটি কাটা নিয়ে, বালুমহল নিয়ে, আধিপত্য নিয়েও এসব ঘটনা ঘটছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বেড়েছে অস্ত্রের মহড়া এবং সংঘাত। ঘটছে খুনের ঘটনাও। শনিবার রাতে ফটিকছড়ি উপজেলায় গুলিতে নিহত হয়েছেন জামাল উদ্দিন নামে এক জামায়াত কর্মী। এ ঘটনায় আরেকজন গুলিবিদ্ধ হন। একই দিন হাটহাজারীতে খুন হয়েছেন মাহবুব আলম নামে এক শ্রমিক নেতা। ৯ জানুয়ারি সাতকানিয়া আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারীর ওপর গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে। ৫ জানুয়ারি রাতে রাউজান উপজেলায় গুলি করে হত্যা করা হয় জানে আলম নামে এক যুবদল নেতাকে। ২ জানুয়ারি মুখোশধারীদের হামলায় আহত হন আবুল বশর চৌধুরী নামে এক বিএনপি নেতা। চট্টগ্রামের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর দাবি-২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে চট্টগ্রাম নগরী এবং জেলায় অবৈধ অস্ত্র এবং থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। যা বর্তমানে চলমান রয়েছে। গত এক বছরের বেশি সময়ে চট্টগ্রাম নগরীতে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে ৮০০টির কিছু বেশি। জেলায় উদ্ধার হয়েছে ৬০০টির মতো অস্ত্র। র‌্যাব উদ্ধার করেছে ২২০টির মতো অস্ত্র। সবমিলিয়ে চট্টগ্রামের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো উদ্ধার করেছে ১ হাজার ৬২০টির মতো অস্ত্র। এ ছাড়া ২০২৪ সালে জুলাই গণ অভ্যুত্থানে সিএমপি ও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের ১ হাজারের মতো আগ্নেয়াস্ত্র লুট হয়। লুট হওয়া অস্ত্রের মধ্যে ৭৮৫টির মতো আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। বাকি অস্ত্রগুলো এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক আকতার কবীর চৌধুরী বলেন, নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু হওয়ার আগেই রাজনৈতিক সহিংসতা শুরু হয়েছে। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার তত বাড়বে। নির্বাচনে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ঠেকাতে তা উদ্ধারে বড় ধরনের অভিযান শুরু করা জরুরি। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের মুখপাত্র রাসেল বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্রধারীদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তালিকা ধরে গ্রেপ্তার অভিযানও শুরু করেছে। এরই মধ্যে অনেক অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার হয়েছে। বাকিদেরও দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারের আওতায় আনা হবে।