ঢাকা ও হবিগঞ্জে টানা আন্দোলনের মুখেও শেষ পর্যন্ত ‘আইনি জটিলতার’ কারণে মুক্তি পাননি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা সদস্যসচিব মাহদী হাসান।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার পরে তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের বাসায় নেওয়া হলে নেতাকর্মীদের মধ্যে আশার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত আদালত না বসায় মুক্তি পাননি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলার সদস্যসচিব মাহদী হাসান।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক আরিফ তালুকদারের ভাষ্য অনুযায়ী, জামিন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে রাতেই একটি মাইক্রোবাসে করে ম্যাজিস্ট্রেটের বাসভবনে যান তিনি ও সংগঠনের মুখপাত্র আশরাফুল ইসলাম সুজনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তবে সব প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত না থাকায় শেষ পর্যন্ত আদালত বসেনি এবং মাহদী হাসানকে মুক্ত করা সম্ভব হয়নি।
বানিয়াচংয়ের ঘটনা নিয়ে মাহদীর মন্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের ঘটনা কোনও মামলার বিষয় হতে পারে না, এটি জুলাই প্রক্লেমেশনের অন্তর্ভুক্ত।’
গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ডিবি পুলিশ শহরের শায়েস্তানগর এলাকার একটি বাসা থেকে মাহদী হাসানকে আটক করেছে জানান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম। তবে পুলিশ এখনও জানায়নি মাহদীকে কোন মামলায় আটক করা হয়েছে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রোববার ভোররাতেও হবিগঞ্জ সদর থানার প্রধান ফটকে অবস্থান করছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।