Image description
 

লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নে দ্বৈত কর আদায়ের অভিযোগে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় কৃষক, খামারি, বাগান মালিক ও ইটভাটা মালিকরা। অভিযোগ রয়েছে, একই পণ্যের ওপর দুই থেকে তিনবার পর্যন্ত টোল আদায় করা হচ্ছে। এতে উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে গিয়ে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, বান্দরবান জেলা পরিষদকে নিয়মিত টোল দেওয়ার পরও ফাইতং ইউনিয়ন পরিষদ জোরপূর্বক আবার টোল আদায় করছে। টোল দিতে অস্বীকৃতি জানালে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলেও জানান তারা।

স্থানীয় কৃষক আনোয়ার হোসেন বলেন, তিনি কৃষিপণ্যের জন্য গজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদে টোল দিয়ে আসলেও ফাইতং ইউনিয়ন পরিষদ পুনরায় টোল আদায় করছে। একই পণ্যের ওপর আবার বান্দরবান জেলা পরিষদও টোল নিচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।

 

এ বিষয়ে ফাইতং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক জানান, ১৫ লাখ টাকার বিনিময়ে মিসবাহ উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে টোল পয়েন্ট ইজারা দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, যে পণ্য থেকে গজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ টোল নেয়, সেখান থেকে ফাইতংয়ের ইজারাদার কেন টোল নিচ্ছে তা তিনি জানেন না। তবে চেয়ারম্যানের দাবি, আগেও এভাবে টোল আদায় হতো এবং জেলা পরিষদ তাদের কোনো অংশ দেয় না বলেই ইউনিয়ন পরিষদ টোল আদায় করছে।

 

এদিকে টোলের নামে কৃষক ও খামারীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে লামা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেছেন খামারি আবু নছর। আদালত মামলাটির তদন্তভার দিয়েছে বান্দরবান জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে।

মামলার প্রেক্ষিতে শনিবার বাদ আসর বান্দরবান থেকে ডিবি পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত কার্যক্রম চালায়। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। দ্বৈত কর আদায় বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষক ও