
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রায় দুই হাজার কলেজে ডিগ্রি, ৮০০+ কলেজে অনার্স এবং প্রায় দুইশ কলেজে মাস্টার্স প্রোগ্রাম আছে। এগুলোকে প্রায়শই বলা হয় বেকার তৈরির কারখানা। অথচ এই কলেজগুলো বাংলাদেশে বেকার নয়, বরং সবচেয়ে বেশি কর্মদক্ষ জনশক্তি সরবরাহ করতে পারে। সেজন্য জরুরি একটি বড় পরিকল্পনা প্রয়োজন।
বিশেষত, এই কলেজগুলোর একটি বড় অংশকে কারিগরি কলেজ বা ইনস্টিটিউটে রূপান্তর করে ডিপ্লোমা কিংবা অ্যাসোসিয়েট ডিগ্রি দেওয়া গেলে বাংলাদেশের কয়েক মিলিয়ন শিক্ষার্থী প্রযুক্তিগত শিক্ষায় গ্র্যাজুয়েট হতে পারবে। তাদের দেশে ও বিদেশে প্রচুর চাহিদা থাকবে।
অনার্স প্রোগ্রাম থাকবে শুধু বড় কলেজগুলোতে, যেখানে পর্যাপ্ত অবকাঠামো, শিক্ষক ও সার্বিক সুবিধা রয়েছে। এটি হয়তো জেলা পর্যায়ে সর্বোচ্চ দুটি হতে পারে। এমন হলে, জেলার অন্যান্য অনার্স কলেজগুলোর শিক্ষকরা বড় কলেজগুলোতে স্থানান্তরিত হবেন। এভাবে এই কলেজগুলোর শিক্ষার্থীরাও দক্ষ গ্র্যাজুয়েট হতে পারবে।
আমার মনে হয়, এই সময়ে এসে তিন বছরের ডিগ্রি পরীক্ষাটি বাদ দেওয়া দরকার। বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, এখানে পড়াশোনার তেমন কিছুই নেই—শুধু সময়ের অপচয় আর একটি সার্টিফিকেট।
সব মিলিয়ে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ কলেজগুলো সংস্কার করতে পারলে দেশের আমূল পরিবর্তন করা সম্ভব।