Image description

ভোটার নিবন্ধনের জন্য অনলাইনে ফরম পূরণ করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ) না দিলে আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের মাসিক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যে সিস্টেম ম্যানেজারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ।

এদিকে আগামী জানুয়ারি মাসে শুরু হতে যাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সামনে রেখে চলমান ভোটার স্থানান্তরের আবেদন আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। হালনাগাদের পর এই ভোটার তালিকা ২৫ নভেম্বর চূড়ান্ত করা হবে। যারা এই ভোটার তালিকায় থাকবেন, তারাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ইউপির প্রথম ধাপের ভোট হবে আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি, দ্বিতীয় ধাপের ভোট ৪ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় ধাপে ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপে ১৩ মে এবং পঞ্চম ও শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ হবে আগামী ২৭ মে। এসব নির্বাচনের তপশিল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা ঘোষণা করবেন।

ইসি গত সোমবার এক নির্দেশনায় দেশের সব উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ অক্টোবর বা এর আগে যাদের জন্ম, তাদের মধ্যে যারা এ বছরের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভোটার ডাটাবেজে নিবন্ধিত হবেন, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে হালনাগাদ ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। এজন্য ৫ নভেম্বর সারা দেশে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে আগামী ২৫ নভেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে হালনাগাদ ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা ছিল গত আগস্ট মাসে। ইসির পরিকল্পনা ছিল, নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু হবে এবং সেপ্টেম্বরে তপশিল ঘোষণা করা হবে। এই লক্ষ্যে ভোটার তালিকা মুদ্রণের কাজও শুরু করার পরিকল্পনা ছিল। তবে ভোট পিছিয়ে যাওয়ায় দেশ জুড়ে ফের ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম চালু করেছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে ২০১২ সাল থেকে মাঠপর্যায়ের অফিসসমূহে সংরক্ষিত স্ক্যান ও আপলোডকৃত ভোটার নিবন্ধন ফরম (ফরম-২) এবং গোডাউনে রক্ষিত অপ্রয়োজনীয় ও নিষ্পত্তিযোগ্য দ্রব্যাদি ৩১ অক্টোবরের মধ্যে নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। তবে ৩১ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখ পর্যন্ত সংরক্ষিত ফরম-২ পূর্বের ন্যায় অফিসে সংরক্ষণ করতে হবে। এজন্য সকল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও এনআইডি মহাপরিচালককে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ।