Image description

পিরোজপুরের জিয়ানগরে মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালে জেলেদের জন্য বরাদ্দ করা ২৫ কেজি চালের সুবিধা নিয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও ইউপি সদস্য দুলাল ফকির। তিনি সমুদ্রে মাছ ধরার দুটি ফিশিং বোর্ডের মালিক এবং আর্থিকভাবে স্বচ্ছল। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী।

দুলাল ফকির উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর চরবলেশ্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। তিনি চরবলেশ্বর গ্রামের মৃত খবির উদ্দিন ফকিরের ছেলে। 
উপজেলা মৎস্যজীবীদের তালিকার ৩৮ নম্বর ক্রমিকে তার নাম রয়েছে। ওই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকায় তিনি জেলেদের জন্য বরাদ্দ করা চাল উত্তোলন করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চন্ডিপুর ইউনিয়নে প্রকৃত জেলেদের অনেককে বাদ দিয়ে অন্য পেশার ব্যক্তিদের জেলে কার্ডের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগও রয়েছে।

চাল উত্তোলনের বিষয়ে দুলাল ফকির বলেন, আমি একজন মহাজন। সাগরে মাছ ধরার ফিশিং বোর্ড রয়েছে আমার। তবে মহাজন ও জেলে সবারই জেলে কার্ড পাওয়ার অধিকার রয়েছে। আমি চাল উত্তোলন করে অন্য এক জেলেকে দিয়েছি।

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদ আহমেদ বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে কাউকে সুপারিশ করা হয়নি। এমন ঘটনা ঘটেছে কি না, তা মৎস্য অফিস জানে।