Image description

রাজধানীর চকবাজারের মনসুর খান প্লাজায় সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদপ্রার্থী ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি এই পরিদর্শনে যান।

মানচিত্রদেখুন

 

এ সময় সিটি করপোরেশনের অব্যবস্থাপনা আর রাষ্ট্রের উদাসীনতায় অগ্নিকাণ্ডে মানুষ সর্বস্ব হারাচ্ছে মন্তব্য করে সাদিক কায়েম বলেন, এসব অগ্নিকাণ্ডের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী হচ্ছে সিটি করপোরেশন। কারণ, তারা বিল্ডিং কোড মেনে ভবন নির্মাণ হচ্ছে কি না, সেটি যথাযথভাবে তদারকি করছে না। অন্যদিকে, অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হলে দ্রুত নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাপণের জন্য ফায়ার সার্ভিস স্টেশনগুলোতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই এবং ফায়ার ফাইটারদের উন্নত প্রশিক্ষণের কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতির হার অনেক বেশি হয়ে থাকে।

বিজ্ঞাপন

 

তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত উন্নত যন্ত্রপাতি না থাকায় এবং প্রশিক্ষণ ও জনবলের অভাবে ফায়ার ফাইটারদের জীবন ঝুঁকিতে পড়ছে। অনেকে অগ্নি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে জীবন দিয়েছেন, আবার অনেকে হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন।

সাদিক কায়েম বলেন, সোমবার রাতে চকবাজারে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে চারজন ফায়ার ফাইটার আহত হন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত উন্নত যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষণের অভাবে প্রায়ই অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে গিয়ে ফায়ার ফাইটারদের আহত ও নিহত হতে হচ্ছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক উল্লেখ করে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত উন্নত যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষিত ফায়ার ফাইটার গড়ে তুলতে তিনি সরকারের কাছে আহ্বান জানান।

তিনি উপস্থিত নগরবাসীর উদ্দেশে বলেন, আগামীতে যদি নগরবাসী আমাদের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব দেয়, তবে ঢাকাকে পরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে তুলে অগ্নিদুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করাসহ সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

মানচিত্রদেখুন

 

 

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী নেতা হাজী হাফেজ এনায়েত উল্লাহ, জামায়াতের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহীন আহমেদ খান, চকবাজার-বংশাল জোনের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যক্ষ এস এম আহসান উল্লাহ, চকবাজার দক্ষিণ থানা আমির আনিছুর রহমান, পূর্ব থানা আমির রফিকুল ইসলাম সিকদারসহ চকবাজার থানা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা ও ব্যবসায়ীরা।