Image description

লক্ষ্মীপুরে এক লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার চেষ্টার ঘটনা এবার আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১১ (এসআরবি)।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এসআরবি-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক মিঠুন কুমার কুণ্ডু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার যুবকের নাম- মো. শাকিল মোবারক। তিনি মামলার দ্বিতীয় আসামি ও লক্ষ্মীপুর পৌরসভার বাঞ্ছানগর এলাকার মৃত ধনু মিয়ার ছেলে।

 
 
 

এর আগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুরে ব্রাদার্স এলপিজি ফিলিং স্টেশন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ১১ সেপ্টেম্বর এ মামলার শাকিলের বড় ভাই প্রধান অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

 

সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, গত ৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে আসামিরা দেলোয়ার পেট্রোলের বোতল নিয়ে উত্তর তেমুহনী এলাকার কালী বাজার সড়কে ফুড কেমিক্যাল ব্যবসায়ী শাহেদ আলমের দোকানে ঢুকেন। একপর্যায়ে শাহেদের পাশে বসে থাকা স্থানীয় ব্যবসায়ী কৃষ্ণ পালের শরীরে পেট্রোল ঢেলে দেলোয়ার আগুন দেওয়ার চেষ্টা করেন।

 

মামলার বাদী ব্যবসায়ী শাহেদ আলমের ভাষ্যমতে, ঘটনার দিন দেলোয়ার পেট্রোলের বোতল নিয়ে তার দোকানে আসেন। এসময় তিনি দোকানের মালামালের ওপর পেট্রোল ছিটিয়ে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ওই টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তার পাশে বসে থাকা ব্যবসায়ী কৃষ্ণ পালের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে তাকে টেনে-হিঁচড়ে মারধর করা হয়। এসময় দোকানের কর্মচারী সোহাগ বাধা দিলে তাকেও মারধর করা হয়। আশপাশের লোকজন তাকে (শাহেদ) উদ্ধার করতে এগিয়ে গেলে দেলোয়ার, তার ছোট ভাই শাকিল ও ভাগিনা মুন্না দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটি নিয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী শাহেদ বাদী হয়ে ১০ সেপ্টেম্বর রাতে থানায় মামলা করেছেন। এতে দেলোয়ারকে প্রধান এবং শাকিল ও মুন্নাকে আসামি করা হয়।

এসআরবি-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক মিঠুন কুমার কুণ্ডু বলেন, শাকিল মামলার দ্বিতীয় আসামি ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তার করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।