Image description

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর উদ্যোগে এবং ডাকসুর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য তাজিনুর রহমানের সম্পাদনায় প্রকাশিত ‘মহানবি’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। 

 

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় ডাকসুর সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ডাকসুর নেতৃবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

 

মহানবি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ ও কর্মময় সীরাতকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী লেখার আহ্বান জানিয়েছিল ডাকসু। সারা দেশ থেকে প্রাপ্ত অসংখ্য লেখার মধ্য থেকে বাছাইকৃত রচনাগুলো নিয়ে ‘মহানবি’ গ্রন্থটি প্রকাশ করা হয়েছে।

 

মহানবি (সা.)-এর জীবনাদর্শ তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং তাঁর অনুপম চরিত্র ও শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচিত করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

 

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. মুহা. রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, “এটি একটি মহৎ উদ্যোগ। মহানবি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ নিয়ে এমন একটি গ্রন্থ প্রকাশ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।”

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা নাজির মাহমুদ বলেন, “আদর্শ খুঁজতে আমরা কোথায় যাব? আমাদের নবী কারীম (সা.) হলেন আমাদের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ।” এ সময় তিনি মহানবি (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দেক আলী ইবনে মুহাম্মদ বলেন, “ডাকসুর ইতিহাসে মহানবি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনী নিয়ে এর আগে কোনো গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এটি ডাকসুর ইতিহাসে এ ধরনের প্রথম উদ্যোগ।”

 

তিনি গ্রন্থটির সম্পাদক তাজিনুর রহমানকে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার জন্য ধন্যবাদ জানান।

 

ডাকসুর কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে ছালমা বলেন, “এটি একটি অসাধারণ উদ্যোগ। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার জন্য তাজিনুর রহমান ভাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।”

 

অনুষ্ঠানে ডাকসুর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা ‘মহানবি’ গ্রন্থটির প্রকাশনাকে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে মহানবি (সা.)-এর জীবনাদর্শকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে আরও জ্ঞানচর্চা ও সাহিত্যিক উদ্যোগ গ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।