Image description

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর হুতিদের ছোঁড়া একটি ড্রোন মক্কার দিকে আসছিল, যা আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ভূপাতিত করা হয়। তবে হুতিরা মক্কা লক্ষ্য করার অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে যে তারা সৌদি আরবের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে।

 

এছাড়া কিং খালিদ এয়ারবেস এবং লোহিত সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘ইস্ট-ওয়েস্ট অয়েল পাইপলাইন’-সহ বেশ কিছু স্থাপনা লক্ষ্য করে হুতিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

 

বাব আল-মান্দেব প্রণালি অঞ্চলে হুতিদের প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ঝুঁকিতে পড়েছে। পাশাপাশি সৌদি আরবের তেল সরবরাহ লাইনে আঘাতের ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও দাম নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

 

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি কেন সক্রিয় হয়নি?

গত আগস্টে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে এই যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার মূল নীতি ছিল—এক সদস্যের ওপর হামলা মানে সবার ওপর হামলা। তবে এখনো জোটের অন্য মিত্ররা সামরিক পদক্ষেপ নেয়নি, যার প্রধান কারণগুলো হলো:

 

রক্ষণাত্মক প্রকৃতির চুক্তি: পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ স্পষ্ট করেছেন যে, এই ত্রিপক্ষীয় জোট কোনো আক্রমণাত্মক জোট নয়, বরং প্রকৃতিগতভাবেই এটি একটি রক্ষণাত্মক (ডিফেন্সিভ) জোট।

 

কূটনৈতিক সংযম: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান উত্তেজনা না বাড়িয়ে উভয় পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

 

নতুন সংঘাতে জড়ানোর অনিচ্ছা: বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্ক সরাসরি ইয়েমেন যুদ্ধে জড়িয়ে নতুন কোনো ফ্রন্ট খুলতে আগ্রহী নয়; বরং তারা সৌদি আরবকে প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত সহায়তা দেওয়ার দিকেই বেশি নজর দিচ্ছে।