সরকারি খাসজমি দখল, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং পরিষদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে (গ্রেনেড বাবু) চূড়ান্তভাবে অপসারণ করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি এশিয়া পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরিফুর রহমান।
এর আগে, গতকাল ১৫ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি-১ শাখার উপসচিব মো. আব্দুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেনেড বাবুর বিরুদ্ধে সরকারি খাসজমি ও পুকুর দখল করে দোকান ও পার্ক নির্মাণ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং পরিষদের অর্থ ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহারের সত্যতা মেলে। পরবর্তীতে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তার জবাব সন্তোষজনক হয়নি।
এ অবস্থায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ৩৪(৪) (খ) ও (ঘ) ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় একই আইনের ৩৪(৬) ধারা অনুযায়ী তাকে জনস্বার্থে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়।
একইসঙ্গে আইনটির ৩৫(১) ও ৩৫(২) ধারা মোতাবেক পদটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের জন্য কিশোরগঞ্জ ইউএনওকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে ‘সরকারি জমি ও পুকুর দখল করে দোকান-পার্ক বানালেন ইউপি চেয়ারম্যান’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে এশিয়া পোস্ট। পরে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদটি প্রকাশিত হয়। এর প্রেক্ষিতে তদন্তে তা প্রমাণিত হওয়ায় এ চেয়ারম্যানকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কার করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ।