Image description

সরকারকে উৎখাতের গোপন বৈঠক থেকে গ্রেফতার নিষিদ্ধ সংগঠনের আট নেতাকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আবু বকর ছিদ্দিক রিমান্ডের তথ্য নিশ্চিত করেন।

রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন— মো. মাজহারুল ইসলাম ওরফে রায়হান, মো. রাকিব, মো. তানভীর খান, মো. আবদুর রহমান, মো. সিফাত, মো. মাহফুজুর রহমান, মো. আশিক মিয়া এবং মো. বকুল আহমেদ ওরফে রাজু।

এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য উল্লেখ করে তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরখান থানার এসআই  রফিকুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ রিমান্ডের পক্ষে যুক্ত তুলে ধরেন। আসামিদের পক্ষে অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার রিমান্ড বাতিল করে জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানিতে তিনি বলেন,আট আসামির কেউ কোনও সংগঠনের সদস্য বা সমর্থক নয়। তাদের নামের পাশে কোনও পদপদবি নেই। তারা রিকশার গ্যারেজে ক্যারামবোর্ডে খেলছিল। এই অবস্থায় তাদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের কোনও যৌক্তিকতা নেই। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই, পদপদবি নেই। এই বিবেচনায় তাদের রিমান্ড বাতিল  করে জামিন প্রার্থনা করছি।

 

উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত আসামিদের চার দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়।

মামলার বিবরণে অভিযোগ করা হয়,  শনিবার রাতে উত্তরখান থানার পুরানপাড়ার একটি অটো গ্যারেজের ভেতরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কতিপয় সদস্য সমবেত হয়ে সরকার ও জনসাধারণের শান্তি বিনষ্টসহ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিল। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, উত্তরখান থানা পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে আট আসামিকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানায়, তারা পরস্পর যোগসাজশে ছাত্র জনতার গণ-অভ্যুত্থানে প্রতিষ্ঠিত বৈধ সরকারকে উৎখাত ও জনসাধারণের শান্তি বিনষ্টসহ সরকারি সম্পদ ক্ষতি সাধনের লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছিল। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অজ্ঞাতনামা আরও ২৫-৩০ জন পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় উত্তরখান থানার এসআই জাহিদ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।